খুলনায় ক্যানসার চিকিৎসায় ভোগান্তি
প্রাথমিক চিকিৎসা সমস্যার মুখে রোগীরা
খ লন য় ক য নস র – খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ক্যানসার রোগীদের প্রধান ভরসা হিসেবে কাজ করে। এখানে খুলনা বিভাগের পাশাপাশি বরিশাল ও রাজশাহী থেকেও দৈনিক হাজার হাজার রোগী আসেন। কিন্তু ক্যানসার বিভাগে ভর্তি করার ব্যবস্থা নেই, এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীদের চরম কষ্ট হয়। তারা আউটডোরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়, যা ব্যয়বহুল এবং কষ্টকর।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক রোগী ও তাদের পরিবার অভিযোগ করেন, খুলনা মেডিকেল কলেজে কেমোথেরাপি সেবা প্রাপ্তি কঠিন। ঢাকার সরকারি হাসপাতালগুলোতে কেমোথেরাপি প্রায় নামমাত্র মূল্যে পাওয়া যায়, কিন্তু খুলনা মেডিকেলে এ জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়।
“খুলনা মেডিকেলের ক্যানসার বিভাগ শুধু নামেই চলছে। বিভাগে কর্মরত কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই স্থানে থাকায় একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। কমিশন বাণিজ্যের কারণে তারা সরকারি সেবার চেয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাঠাতে বেশি আগ্রহী,” বলেন রোগী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আল মাসুম খান।
যন্ত্রপাতির ব্যবহার বন্ধ
খুলনা মেডিকেল কলেজ ক্যানসার বিভাগে ২০১১ সালে কেনা অত্যাধুনিক লিনিয়ার এক্সিলারেটর মেশিনটি প্রায় ১৪ বছর ধরে ভবনের প্রবেশমুখে বাক্সবন্দী অবস্থায় রয়েছে। যন্ত্রটি কেনার সময় অবকাঠামো বা বাঙ্কার নির্মাণের বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়েছিল। পরে বাঙ্কার নির্মাণের জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়, কিন্তু জায়গার অভাবে তা ফেরত পাঠানো হয়।
একজন চিকিৎসক বিষয়টিকে ‘বড় ধরনের দুর্নীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং গণপূর্ত বিভাগ একটি আশা জন্ম দিয়েছে যে নতুন ভবন চালু হলে অঞ্চলে ক্যানসার চিকিৎসা পরিস্থিতি সামাল হবে।
নতুন ভবন নির্মাণের অগ্রগতি
বর্তমানে হাসপাতালের পরিচালক কাজী আইনুল ইসলাম বলেন, “৫০০ শয্যার জনবল দিয়ে বর্তমানে ক্যানসার রোগী সংখ্যা এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। রেডিওথেরাপি মেশিনটি অকাজে থাকায় সেবা বিঘ্নিত হয়েছে।”
খুলনা-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাসান বলেন, “বর্তমান ক্যানসার চিকিৎসা ভবনের পাশে নতুন একটি ৪৫০ শয্যার বিশিষ্ট বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণ চলছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। আশা করছি চলতি বছরের ডিসেম্ব