কক্সবাজারে বন্যা-পাহাড়ধসে মৃত ২৫, পানিবন্দি লক্ষাধিক
বিপর্যয়ের আঁচ বৃদ্ধি পেয়েছে
কক সব জ র বন য প – কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার ঘর ও মাঠ পানির ঢলে ভাসতে থাকছে। মাতামুহুরী নদী পানিতে পূর্ণ হওয়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিম্ন স্তরে আবহাওয়ার কারণে সড়কে যোগাযোগ ও সামাজিক চলাচল ব্যাহত হয়ে গেছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা, পাহাড়ধস, দেয়ালধস ও পানিতে ডুবে আর্থিক সহায়তা পাওয়া মৃতরা মোট ২৫ জন। এর মধ্যে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিল্পীদের গোটা এলাকায় পাহাড়ধসে ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
“কয়েক দিনের অব্যাহত বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে স্থানীয় সম্প্রদায়ের ঘর বাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেকের প্রাণ হারিয়েছে।”
অনেকে পানিতে ডুবে মৃত্যুর আগে ছিলেন
বিপর্যয় সংক্রান্ত নিকটতম পরিস্থিতির কারণে অনেক পরিবার খাবার সংগ্রহ করতে অসুবিধা ভোগ করছে। রান্না করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে পানিতে ডুবে দুই বছরের ওয়াকিম ও মাতামুহুরীর কোনাখালী ইউনিয়নে তিন বছরের পুষ্প মারা যায়।
গত শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে চকরিয়া হারবাং সেতু এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনায় আব্দুল মালেকের ১২ বছর বয়সী কন্যা হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণার মৃত্যু হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার পাহাড়ধসে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে
সদর, শীলখালী ও আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। চকরিয়া ও মাতামুহুরীর বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কের ওপর পানি ওঠায় সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও সীমিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে অব্যাহত বৃষ্টির কারণে ঘরবাড়ি, সড়ক ও কৃষিজমি পানির নিচে চলে গেছে।
অন্যদিকে চকরিয়া উপজেলার মোহছেনিয়াকাটা (ডবলতলী) এলাকায় ভোররাতে পাহাড়ধস