Bangladesh

১৪ শিক্ষক মিলেও ৫ ছাত্রীকে পাস করাতে পারলেন না!

১৪ শ ক ষক ম ল ও - গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার উত্তর জামালপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ইতিহাসে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় মাত্র পাঁচজন

Desk Bangladesh
Published August 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Michael Brown - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. ১৪ শিক্ষকের দলেও ৫ ছাত্রীকে পাস করানো সম্ভব হলো না
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

১৪ শিক্ষকের দলেও ৫ ছাত্রীকে পাস করানো সম্ভব হলো না

Banglabeacon.com – ১৪ শ ক ষক ম ল ও – গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার উত্তর জামালপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ইতিহাসে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় মাত্র পাঁচজন ছাত্রী অংশ নিয়েছিল। ফল প্রকাশের পরে দেখা গেল, ওই পাঁচজন ছাত্রীর কেউই পাস করেনি। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্যে দাঁড়িয়েছে।

এই শূন্য ফলাফলের পেছনে আরও এক বিস্ময়কর তথ্য লুকিয়ে আছে। মাদ্রাসাটিতে মোট ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। অর্থাৎ, পাঁচজন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক সংখ্যা প্রায় তিন গুণ। এত শিক্ষক থাকতেও পাঁচজন ছাত্রীকে পাসের গণ্ডি পার করাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচজন ছাত্রীর নামের পাশেই ‘অকৃতকার্য’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী কম, কিন্তু শিক্ষকের কোনো ঘাটতি নেই—এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কেন এই অস্বাভাবিক ফলাফল হলো, তা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষকদের সংখ্যা বেশি, ফলাফল শূন্য

ফলাফলের কারণ জানতে চাইলে মাদ্রাসার সুপার কাজী মোহাম্মদ আবু হানিফ বলেন, ‘এ বছর আমাদের মাদ্রাসা থেকে পাঁচজন অংশ নিয়েছিল, কেউ পাস করতে পারেনি। আমাদের ১৪ জন শিক্ষকই কর্মরত আছেন।’ তবে ব্যর্থতার দায় সরাসরি নিজের কাঁধে না নিয়ে তিনি এক অদ্ভুত অজুহাত দিলেন।

আসলে ভালো ছাত্রীদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এমন ফলাফল হয়েছে।

শিক্ষার এই করুণ চিত্রকে কেবল ‘শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা’ হিসেবে ছেড়ে দিচ্ছে না স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠান প্রধানকে তলব করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল মামুন তালুকদার বলেন, ‘কালীগঞ্জের ওই মাদ্রাসায় চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত শিক্ষক রয়েছেন। কেন এমন ফল হলো, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ১৪ জন শিক্ষক, ৫ জন পরীক্ষার্থী আর ফলাফল ‘শূন্য’—এই অস্বস্তিকর সমীকরণটি এখন কালীগঞ্জের মানুষের মুখে মুখে। শিক্ষা প্রশাসনের তদন্তে শেষ পর্যন্ত কী বেরিয়ে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Frequently Asked Questions

What is ১৪ শ ক ষক ম ল ও?

১৪ শ ক ষক ম ল ও is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ১৪ শ ক ষক ম ল ও matter?

১৪ শ ক ষক ম ল ও matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment