সুনামগঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে
Banglabeacon.com – স ন মগঞ জ ক ষত গ – সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করার প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ দাঁড়িয়েছে। অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন কৃষকদের অনেকের নাম বাদ দিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক নেতাদের আত্মীয়স্বজনের স্থান দখল করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে যে এই তালিকায় কারচুপির আস্বাদন করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দুর্দশার কারণে ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
তালিকায় কারচুপির আস্বাদন
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নে তালিকার কার্যক্রমে গুরুতর অনিয়ম দেখা গেছে। ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আতিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমানের সাথে তালিকা তৈরি করেছেন যুবদলের নেতা সোহেল ও মনির। এই তালিকায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বাদ দিয়ে নেতাদের পরিবারের সদস্যদের নাম রয়েছে। যেমন, তালিকার ৮০ থেকে ৮২ নম্বরে সভাপতির মেয়ে, ভাইয়ের স্ত্রী, ভাতিজা ও মেয়ের জামাই অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে যে কুরবাননগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম তালিকার চরম অনিয়মে বিষণ্ণ হয়েছেন। তার অভিযোগ অনুসারে, সুনামগঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় কারচুপির কারণে একাধিক নেতার স্বজন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ কৃষকরা
সুনামগঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে ধরার পর ক্ষুব্ধ কৃষকরা বিক্ষোভ করছেন। বিশেষ করে কুরবাননগর ইউনিয়নে ৮৪ নম্বরে তালিকা প্রস্তুতকারী সোহেলের আপন বোনের নাম রয়েছে, যিনি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অন্য উপজেলায় বসবাস করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অবস্থা এখনও স্থিতিশীল নয়, কারণ তালিকায় বিভিন্ন উপজেলার নেতাদের আত্মীয়স্বজন অন্তর্ভুক্ত করার ফলে সাধারণ কৃষকদের সহায়তা কমে আসছে।
বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া
কুরবাননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল বরকত বলেন, ‘সুনামগঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তারাই তৈরি করেছেন, আমরা শুধু স্বাক্ষর করেছি।’ কিন্তু তিনি তালিকার অনিয়মের দায় স্বীকার করেছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মতিউর রহমান খান জানান, যে কোন উপজেলায় সুনামগঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকার অনিয়ম উঠেছে, সেখানের ইউএনওদের তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হ
