Bangladesh

সন্তানদের জীবন বাঁচিয়ে বাসের চাকায় পিষ্ট মা

Techtaranga.com_17836109131030

সন্তানদের জীবন বাঁচিয়ে বাসের চাকায় পিষ্ট মা

Banglabeacon.com – সন ত নদ র জ বন ব – সন্তানদের জীবন বাঁচিয়ে বাসের চাকায় পিষ্ট মা রুমি আক্তার মারা যাওয়ার পর তার সন্তানদের আহত অবস্থার বিষয়টি সামগ্রিকভাবে চর্চার সূচনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে সোমবার (৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের শাহপুর এলাকায় একটি বাস ও মোটর ভ্যানের মধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া ঘটনা ঘটে। মৃত রুমি আক্তার তালা উপজেলার প্রসাদপুর গ্রামে মৃত সাইদুল ইসলামের মেয়ে ছিলেন। তিনি তার সন্তানদের প্রাণ রক্ষা করেছিলেন কিন্তু নিজে প্রাণ হারিয়েছিলেন।

দুর্ঘটনার প্রকৃতি ও ঘটনার পরিস্থিতি

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যমুনা লাইন পরিবহন কোম্পানির বাসটি একটি অপর বাসকে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীভর্তি মোটর ভ্যানের সাথে ধাক্কা করে। এ ঘটনায় মৃত সন্তানদের জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টার সাথে সাথে বাসের চাকায় পিষ্ট মা রুমি আক্তার মারা যান। তার ছেলেদের মধ্যে হানজালা (২) ও রাব্বি (৫) নামে দুই সন্তান কোনো আঘাত ছাড়াই বেঁচে থাকেন। পরিস্থিতি সামান্য করে তোলার জন্য এলাকাবাসীদের আগ্রহ ছিল।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই চালক পালিয়ে যান। বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার সংঘটনার পরিচয় নেওয়া জন্য তদন্ত চালু করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সদস্যদের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করা হয়। এ দুর্ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া প্রায় প্রাথমিক পর্যায়ে চলছে।

ঘটনার পর সামাজিক ধ্বংস

বাসের চাকায় পিষ্ট মা রুমি আক্তারের মৃত্যুর পর খুলনা এলাকায় দুর্দান্ত ঘটনা ঘটার আরো দুর্ঘটনার আশংকা বৃদ্ধি পায়। সন্তানদের জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টার সাথে সাথে মা রুমি আক্তার নিহত হওয়া ঘটনা প্রায় সম্পূর্ণ অস্থিরতা তৈরি করে। ঘটনার পর থানার সাথে যোগাযোগ করে স্থানীয় সদস্যদের এলাকার পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য আবেদন করা হয়।

সন্তানদের জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টার সাথে সাথে ভ্যান চালক আবদুস সাত্তার বিপর্যয়ের আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রবেশ করেন। ঘটনার সময় মা রুমি আক্তার ও ভ্যান চালক একত্রে বাসের চাকায় পিষ্ট হন। স্থানীয় নাগরিকদের দ্বারা সংঘটনার পরিণতি নিয়ে আলোচনা চলছে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার সংঘটনার পর চালক পালিয়ে যান এবং বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সদস্যদের সহায়তায় লাশ উদ্ধার কর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *