ভারতে ১২ পারমাণবিক বোমা মোতায়েনের নেপথ্যে কী?
Banglabeacon.com – ভ রত ১২ প রম ণব ক – বিশ্ববিখ্যাত পারমাণবিক অস্ত্রনীতি ও নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরাই) সর্বাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলি বাড়ানোর সাথে সাথে ভারত পারমাণবিক বোমার সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে যে সময় ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা আলাদা রাখার ধারণা বদল হয়েছে।
পারমাণবিক অস্ত্র রেখে দেওয়ার বিষয়টি বলা হয় মজুত, যুদ্ধের সময় প্রস্তুত করা হয় মোতায়েন।
গত বছরে ভারতের মোট ওয়ারহেডের সংখ্যা ছিল ১৮০টি কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০টিতে। এই পরিবর্তনের মূল কারণ হলো দুই ধরনের অস্ত্র একত্রে রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যে এই পরিবর্তনের মূল কারণ ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন বাহিনী।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিগত ২০২৪ সালের অক্টোবরে ‘আরিঘাট’ ও চলতি বছরের এপ্রিলে ‘আরিদামান’ নামক তৃতীয় সাবমেরিন মোতায়েন করা হয়েছে। এই সাবমেরিনগুলি শান্তিকালে অস্ত্র ও উৎক্ষেপক একসঙ্গে রাখার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে। এদের টহল জোরদার করা হয়েছে।
সিপরাইয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী চীনের মোতায়েনকৃত ওয়ারহেডের সংখ্যা ২০২৫ সালে ২৪ থেকে বেড়ে গেছে ৩৪টি হয়ে। যদিও চীনের মোট ওয়ারহেডের সংখ্যা ভারতের চেয়ে অনেক বেশি—৬২০টি।
এ বছরের মে মাসে অপারেশন সিন্ধুর সময় ভারত পাকিস্তানের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কিছু লক্ষ্যস্থল পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এই ঘটনার মাধ্যমে দুই দেশের সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রকাশ পেয়েছে।
ভূরাজনৈতিক জটিলতার মধ্যে থাকা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত এখন নিরাপত্তা ও প্রতিশোধ সক্ষমতা নিশ্চিত করতে একটি প্রস্তুতি মঞ্চ গড়ছে। যদিও ভারত আগে আঘাত না করার নীতি অটুট রেখেছে, তবু এখন প্রত্যুত্তর দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
