Bangladesh

বাংলাদেশে কোনো নারীর কি ফাঁসি হয়েছে?

বাংলাদেশে কোনো নারীর কি ফাঁসি হয়েছে? ব ল দ শ ক ন ন - বাংলাদেশে স্বাধীনতা দেওয়ার ৫৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় অপরাধী নারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে শতাধিক বার।

Desk Bangladesh
Published June 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : John Williams - banglabeacon.com

বাংলাদেশে কোনো নারীর কি ফাঁসি হয়েছে?

Banglabeacon.com – ব ল দ শ ক ন ন – বাংলাদেশে স্বাধীনতা দেওয়ার ৫৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় অপরাধী নারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে শতাধিক বার। কিন্তু কোনো নারীকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হয়নি। রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করতে হয়নি কোনো নারীকে।

২০২৪ সালে কমপক্ষে ৩১ জন মহিলাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার আসামি স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। যদি রায় কার্যকর হয়, তবে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারীর ফাঁসি হতে পারে।

“রায় হলেও মামলা শেষ হয় না। প্রথমে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়, তারপর আপিলের সুযোগ থাকে। সেখানে রায় পরিবর্তন না হলে উচ্চ আদালতে যায়। আপিলে অনেক সময় সাজা কমে, আবার আসামির খালাসও হয়ে যায়।”

২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি সহ ছয় নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এখন মিন্নি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি।

আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যামামলায় কামরুন্নাহার মণি ও উম্মে সুলতানা পপি কারাগারে রয়েছেন। এর আগেও বেশ কয়েকটি মামলায় নারীদের ফাঁসি আদেশ জারি হয়েছে, কিন্তু কার্যকর হয়নি।

নারী আসামিদের মামলার কাগজপত্র আদালতের আপিল বিভাগে আটকে থাকায় রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা আবেদন পাঠানোর সুযোগ পায় না। উচ্চ আদালতে আপিলে যেতে হয় নারীদের মৃত্যুদণ্ড কমে যেতে দেখা যায়। এসব কারণে বাংলাদেশে কোনো নারী ফাঁসি কার্যকর হয়নি।

২০০৭ সালে কাশিমপুরে দেশের প্রথম মহিলা কারাগার উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু অন্যান্য কারাগারে ফাঁসির মঞ্চ রয়েছে, তার কোনো মঞ্চ নির্মাণ করা হয়নি। কনডেম সেল হল কারাগারের একটি বিশেষ খুঁটি যেখানে ফাঁসির আসামিদের রাখা হয়। কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে এক ভবন আছে নারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য। কারা কর্মকর্তারা এটাকে বলেন, “জেলের ভেতর আরেকটি জেল”।

নারী আসামিদের বন্দি জীবন বই পড়ে, নামাজ-কালাম পড়ে কাটে। তাদের কাজের কোনো বাড়তি সুযোগ থাকে না। বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে নারীদের প্রতি সহানুভূতি বা লিঙ্গ ভিত্তিক ভূমিকার কারণে ফাঁসি কার্যকর হয় না। পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীকে দুর্বল ও আবেগপ্রবণ হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংস্থাগুলো মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এই চাপ আরও তীব্র। ফলে বাংলাদেশে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পরিবর্তে বিকল্প শা�

Leave a Comment