Bangladesh

এক যুগেও শেষ হয়নি খুলনা শিপইয়ার্ড প্রকল্প: তদন্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | সংবাদ

খুলনা শিপইয়ার্ড প্রকল্প: কেন বিলম্ব হয়েছে তদন্তের আদেশ প্রধানমন্ত্রীর এক য গ ও শ ষ হয়ন - প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন যে এক যুগেও শেষ হয়নি খুলনা

Desk Bangladesh
Published June 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

খুলনা শিপইয়ার্ড প্রকল্প: কেন বিলম্ব হয়েছে তদন্তের আদেশ প্রধানমন্ত্রীর

Banglabeacon.com – এক য গ ও শ ষ হয়ন – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন যে এক যুগেও শেষ হয়নি খুলনা শিপইয়ার্ড উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পটি দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়েও কেন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি তা উদঘাটন করতে তদন্ত করার নির্দেশ দেন তিনি। এতে বিলম্বের কারণগুলো খুঁজে বার করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুকুমও জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। সেখানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি

খুলনা শিপইয়ার্ড প্রকল্পের প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ২ বছর। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা তার কাজ শুরু করতে পারেনি নির্ধারিত সময়ে। পরবর্তীতে প্রতিবার সময় বাড়িয়ে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। প্রথম দফায় এক বছর এবং দ্বিতীয় দফায় দুই বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়। ফলে কাজ শেষের সময় নির্ধারণ করা হয় ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পের ব্যয়ও সময়ের সাথে প্রতিবার বেড়ে চলেছে। প্রথমবারে ব্যয় ২৮ কোটি টাকা ছিল। তবে দ্বিতীয় দফায় ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩২ কোটি টাকায়। এতে মূল ব্যয় দাঁড়ায় ২৫৯ কোটি টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে ব্যয় কিছুটা কমিয়ে ২৫৪ কোটি টাকা পুনর্নিধারণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী সাংবাদিকদের জানান, ‘খুলনা শিপইয়ার্ড প্রকল্পটি ১২ বছরেও কাজে নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি এবং দীর্ঘ বিলম্ব ঘটিয়েছে যদিও মেয়াদ বাড়িয়ে পাঠানো হয়েছে। কেন এতদিন লক্ষ্য অর্জন হয়নি তা তদন্ত করে কারা কারা এর সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।’

প্রকল্পে সড়ক সংস্কারের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখায় গত বছরের ৭ আগস্ট তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘আতাউর রহমান লিমিটেড’ ও ‘মাহাবুব ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ বিল উত্তোলন করে লাপাত্তা হয়ে যায়। প্রকল্পে কাজ শেষ করার পর সাড়ে তিন বছরের অধিক সময়ে মাত্র ৭০ শতাংশ কাজ পূরণ হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ম

Leave a Comment