Bangladesh

অবশেষে সন্তানের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ভোজিনহার

2658940c-6deb-4069-a585-5a604301eabb-0

ভোজিনহার মা যুক্তরাষ্ট্রে খেলা দেখতে পারলেন

Banglabeacon.com – অবশ ষ সন ত ন র খ – অবশেষে সন্তানের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ভোজিনহার মা। অর্থনৈতিক কারণে তার ছেলে জোসিমার দিয়াস ভোজিনহার স্পেনের বিপক্ষে খেলা মাঠে উপস্থিত হতে পারেনি। তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের অনুমোদন পেয়ে তিনি পুত্রের খেলা দেখতে আসতে পেরেছেন। এ ঘটনা বিশ্বকাপের মঞ্চে তার পরিবারের আনন্দ ও আশার সূত্রপাত করেছে।

কীভাবে ছেলের খেলা দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন মা?

ভোজিনহার মা যুক্তরাষ্ট্রে ছেলের খেলা দেখতে আসতে পেরেছেন এর পিছনে প্রায় এক বছরের প্রক্রিয়া। বিশ্বকাপে তার পুত্রের খেলা দেখতে না পেরে তিনি অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততার মধ্যে ভিসা সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধানের জন্য কেপ ভার্দে কর্মসূচিতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে অনুমোদন পেলেন। মার্কিন দূতাবাস ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে তিনি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। প্রতিটি ধাপে আনন্দ ও কষ্ট মেশা ছিল।

অবশেষে সন্তানের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়া পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হওয়ার পর তিনি আসতে পেরেছেন। এটি বিশ্বকাপের একটি বিশেষ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার জন্য মার্কিন দূতাবাসে আবেদন করা হয়, কীভাবে তিনি প্রতিটি পদক্ষিণ সম্পন্ন করেছেন এবং তার স্বপ্ন মানে কী ছিল। অবশেষে সন্তানের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কারণে তার পরিবারের সদস্যদের জন্য সম্পূর্ণ উৎসাহ প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রথম ম্যাচে জোসিমার দিয়াস ভোজিনহার গুরুত্বপূর্ণ ফল আনিয়েছেন

অবশেষে সন্তানের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিত হওয়া পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হওয়ার পর ভোজিনহার কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। স্পেনের বিপক্ষে খেলায় জোসিমার দিয়াস ভোজিনহার দলকে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ গোল রক্ষা করে দেখায়। এতে তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কারও অর্জন করেন। প্রতিটি খেলার পরিচয় তার পরিবারের জন্য কামনা জানাচ্ছে।

এই ঘটনার মধ্যে অবশেষে সন্তানের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়া পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হওয়ার পর তার মাতৃ মনে কামনা ছাড়া কিছু ছিল না। তিনি এখন ছেলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে মাঠে উপস্থিত হয়েছেন এবং সেই সাথে ভার্দে কর্মসূচি সম্পন্ন করেছেন। বিশ্বকাপে ছেলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন তার কৃতিগুলি বিশেষ করে আকর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *