মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চার সপ্তাহে সর্বোচ্চে পৌঁছেছে
উত তপ ত মধ যপ র চ – মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক তানায় হামলা এবং আবারও নৌ অবরোধ আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় দুই শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই চাপের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত চার সপ্তাহে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
হরমুজ প্রণালী হামলা পর বাজার অস্থির
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৬৮ ডলার বা দুই শতাংশ বৃদ্ধির সাথে ব্যারেলপ্রতি ৮৪.৯৮ ডলারে উঠেছে। অপরপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৬৫ ডলার বা দুই শতাংশের বেশি বৃদ্ধির পর ব্যারেলপ্রতি ৭৯.৭৯ ডলারে পৌঁছেছে।
“মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ পুনর্বহাল এবং এর জবাবে ইরানের অনড় অবস্থান বাজারে নতুন করে বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। পুরোপুরি অবরোধ সৃষ্টি না হলেও, দুই পক্ষের এই মুখোমুখি অবস্থান জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।”
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর থেকে এটাই ব্রেন্ট ক্রুডের দামের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। সেই দিনের মূল্য হারিয়েছিল ৯.৬ শতাংশ, যা ২০২০ সালের মে মাসের পর একদিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধির রেকর্ড তৈরি করেছিল।
হামলার প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষণ
গত সোমবার ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবকে বোমা হামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে যে, তারা টানা তৃতীয় রাতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। জবাবে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াইজেসি জানায়, মঙ্গলবার ভোরে বন্দর আব্বাসে সাতটি এবং কিশ দ্বীপে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
“হুথিরা যদি লোহিত সাগরে সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজে হামলা আরও জোরদার করে, তবে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা সম্প্রতি ইয়েমেনেও ছড়িয়ে পড়েছে। অপরপক্ষে মার্কিন সেনার হিসাবে আন্তর্জাতিক বাজারের দাম বৃদ্ধি করছে। রয়টার্সের সোমবার প্রকাশিত জরিপ অনুযায়ী, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে। তবে একই সময়ে গ্যাসোলিন ও ডিসটিলেট জ্বালানির মজুত কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশ