Bangladesh

শিশু পরিবারের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

Techtaranga.com_17838672326457

ফরিদপুরে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

Banglabeacon.com – শ শ পর ব র র ক – শিশু পরিবারের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা ঘটনার পর শিশু পরিবারে পাঁচ কর্মকর্তা ও কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৯ জুলাই রাতে ঘটনার খবর সার্বিকভাবে প্রকাশ পেয়েছিল, যখন ফরিদপুরে এক কিশোরী বালিকার শিশু পরিবারে অন্তঃসত্ত্বা ঘটে। মোহাম্মদ আরিফ হোসেন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন, যিনি সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এবং শিশু নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে শিশু পরিবারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব অবহেলা ঘটেছিল এবং তার ফলে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছে।

ধর্ষণের ঘটনা ও পরিচালনা প্রক্রিয়া

গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে ঘটনার প্রতিক্রিয়া ঘটেছিল, যখন ওয়াহিদ শেখ (৫৪ বছর) একটি শিশু পরিবারে বালিকা হিসেবে কিশোরী ধর্ষণ করেন। তিনি পেশায় দর্জি দোকানি হিসেবে পরিচিত। শিশু পরিবারে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি মেয়েটির স্থায়ী পরিবর্তন ও জটিলতা তৈরি করেছিলেন। মামলার পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়, যেখানে শিশু পরিবারে ও কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মো. মাহমুদুল হাসান, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জানান যে শিশু পরিবারে দায়িত্ব অবহেলা ঘটেছিল এবং তার ফলে বরখাস্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

তদন্তের পর শিশু পরিবারে সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়া প্রারম্ভ হয়। মেয়েটি ফরিদপুর শহরের একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার পর তার শারীরিক পরিবর্তন ও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেয়েছিল। পরে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে কিশোরীটি ছয় মাসের শিশু পরিবারে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিল। এ ঘটনা পরিচালনার দুর্দান্ত দিকগুলি তদন্তের মাধ্যমে উপলব্ধি হয়।

বরখাস্ত করা কর্মকর্তাদের বিবরণ

শিশু পরিবারে দায়িত্ব অবহেলার কারণে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে পাঁচ কর্মকর্তার ওপর। বরখাস্ত করা হয়েছে সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান, কম্পিউটার অপারেটর আবীর দাস, মেট্রন-কাম-নার্স মনি আক্তার, আয়া শামসুন্নাহার আক্তার এবং তান। শিশু পরিবারে পরিচালনা করার দায়িত্ব আছিল তাদের ওপর। এই কর্মকর্তাদের বরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে শিশু পরিবারে ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে।

ওয়াহিদ শেখ ধর্ষণ ঘটনার পর শিশু পরিবারে বালিকার নিকট সাময়িক আশ্রয় দিয়েছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি শিশু পরিবারে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। পরে কিশোরী এবং শিশু পরিবারে সংঘটিত ঘটনা বেআবরূপ হয়ে পড়ে। অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে শিশু পরিবারে মামলা পরিচালনা করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানো হয়, যেখানে শিশু পরিবারে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হয়।

বরখাস্তের প্রক্রিয

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *