জানাজা এক মঞ্চে, উৎসব অন্য মঞ্চে | সংবাদ
জ ন জ এক মঞ চ উৎসব – ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার চার মাস পর গত বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই তার দাফন করা হয়েছে। এটি ইতিহাসে সবচেয়ে বৃহত্তম জানাজা হিসেবে পরিচিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি ব্যক্তি অংশ নিয়েছেন।
ইরানিদের মতে এই শোকসভা এবং জানাজা সামান্য হয়নি। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বাস্তবতা ও ঐতিহাসিক মান অর্জন করেছে। এই আয়োজন পরিবেশের উপর নির্ভর করে বড় হয়েছে।
ইরানিদের মতে এই শোকসভা ও জানাজা ‘শতাব্দীর সেরা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’।
খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যাণ্ড মোসাল্লায় প্রাথমিক সময়ে রাখা হয়। তিনি গত ৩ জুলাই শুক্রবার থেকে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সেখানে ছিলেন। তেহরানে সরকারি ও বেসরকারি স্থান এবং ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। আকাশসীমা সহ দেশের প্রতিক্রিয়া দেখা গেল।
বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পার্লামেন্টের স্পিকার এবং মন্ত্রীরা আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশের সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই শোকের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিয়েছেন। প্রায় ৮০ বিদেশি সাংবাদিক এই প্রসঙ্গ কভার করেছেন।
আমেরিকা এবং ইসরায়েলের হামলার পরিণতি হিসেবে দেখা গেছে যে খামেনির বিপর্যয় প্রতিকূল পরিবেশে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এই পরিবেশে ইরান পরাজিত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর সাথে যুদ্ধ করেছে, কিন্তু ইরানের সরকার কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে ধমক দিতে পারে নি।
ফলে বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বাধীনতা সম্পূর্ণ পরিচালনা করে। ইরানের সরকারবিরোধী শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য দুটি শক্তি পরস্পর দফায় দফায় হামলা করেছে। কিন্তু বিশ্বে সরকার বিরোধী মত ধ্বংস করেছে এবং সংখ্যালঘু ইরানিদের বেশি ক্ষতি হয়েছে।
তবে বিরাট আকারের জানাজা দুটি কারণে তৈরি হয়েছে: ইরানিদের স্বদেশ প্রেম ও সরকারের নিষ্ঠুরতম দমন-পীড়ন। ইরানের সাহস প্রদর্শনে বেশি অবদান দিয়েছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে।
খামেনির দাফন করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আড়াইশ’তম স্বাধীনতা বার্ষিকীর দিনে। এটি যে মুসলিম দেশগুলির সাথে অসম্পূর্ণ সম্পর্ক সূচিত করে। এর পেছনে রয়েছে ধর্মীয় বিভাজন ও �