Bangladesh

ঝুঁকিতে গাইবান্ধার ১৫ কিমি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

Techtaranga.com_17838303098672

গাইবান্ধার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকিতে পড়েছে

সংস্কার অবহেলার কারণে আঘাত হচ্ছে সবাইকে

Banglabeacon.com – ঝ ক ত গ ইব ন ধ – গাইবান্ধা জেলার কামারজানি থেকে সুন্দরগঞ্জের মওলানা ভাসানী সেতু পর্যন্ত অবস্থান করেছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি। এটি প্রায় দুই দশক ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ অবহেলার কারণে আঘাতে পরিণত হয়েছে। এখন এর কমপক্ষে ৫০টি স্থানে ধস এবং বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টিতে অবস্থার আরও গুরুতর হারে অবনতি ঘটেছে।

বর্তমানে বাঁধটি কারণে প্রতিটি ধরনের যানবাহনের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছে বাঁধটি ভেঙে গেলে গাইবান্ধা জেলার কমপক্ষে ১৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হতে পারে। কাপাসিয়া ইউনিয়নের ফুল মিয়ার মোড় থেকে লালচামার পর্যন্ত অংশটি বিশেষ করে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাঁধটি কবে তৈরি হয়েছে তা মনে নেই। এরপর আর কোনো দিন সংস্কার করতে দেখিনি। বৃষ্টির কারণে এখন বড় বড় গর্ত হয়েছে। দ্রুত মেরামত না করলে বন্যায় আমাদের সব শেষ হয়ে যাবে।

কাপাসিয়া ইউনিয়নের ফুল মিয়ার বাজার এলাকার ষাটোর্ধ্ব ফরমান আলী আক্ষেপ করে বলেন।

ভাঙনের কারণে এখন আর কোনো গাড়ি চলতে পারছে না।

আব্দুল মতিন একই গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে উল্লেখ করেন।

কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া বলেন, নির্মাণের পর থেকে মেরামত না করায় টানা বৃষ্টির কারণে বাঁধটি হুমকির মুখে। এটি ভেঙে গেলে ১৫টি ইউনিয়নের লাখো মানুষ বিশাল ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান জানান, বাঁধটির অবস্থা বর্তমানে খুবই নাজুক। তবে এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে হওয়ায় তাদের কোনো দায়দায়িত্ব নেই।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে গর্ত তৈরি হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাঁধের বর্তমান অবস্থার বিষয়টি আমরা জানি। সংস্কার ও মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বরাদ্দ চেয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *