ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন
স ম ফ ইন ল প রত – মরক্কোর বিপক্ষে জয় অর্জনের পর ফ্রান্সের মুখ্য খেলোয়াড় কিলিয়ান এমবাপে আবারও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ হতে পারে বেলজিয়াম নাকি স্পেন সম্পর্কে আলোচনা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে, কিন্তু তিনি কাউকে আলাদা করে গুরুত্ব দিতে রাজি নন।
‘আমার কাছে কোনও পার্থক্য নেই। যদি বেলজিয়াম হয়, তাহলে বেলজিয়াম। যদি স্পেন হয়, তাহলে স্পেন। দেখা যাক কী হয়। এটা সেমিফাইনাল, আর সেমিফাইনাল সব সময়ই কঠিন।’
আজ রাত ১টায় সেমিফাইনালে উঠার জন্য মুখোমুখি হবে বেলজিয়াম ও স্পেন। ম্যাচের সম্পূর্ণ পরিস্থিতি জানানোর পর এমবাপে জানান যে, দলের জন্য তাকে উদাহরণ হতে হয়।
‘ফ্রান্স দলের সঙ্গে আমি দারুণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এই দলটা আমার কাছে খুবই বিশেষ। অনেক খেলোয়াড় বহু বছরের বন্ধু, আবার তরুণরা এখন আমাকে সিনিয়রদের একজন হিসেবে দেখে।’
ফ্রান্স দলের পরিবর্তনের সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই দলে আমার চেয়ে বেশি বিশ্বকাপ ম্যাচ আর কেউ খেলেনি। বিশ্বকাপে খেলার চাপ, অনুভূতি ও বাস্তবতা আমি জানি। সেই অভিজ্ঞতা সতীর্থদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই আমার দায়িত্ব।’
সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে দেওয়ার আনন্দ ব্যক্ত করতে গিয়ে এমবাপে বলেন, ‘আমরা জানি, স্বস্তি পাওয়ার একটাই উপায়—জয়। সেমিফাইনালে উঠতে পেরে আমরা খুব খুশি। তবে কাজ এখনও শেষ হয়নি। সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, আর আমরা তার জন্য প্রস্তুত।’
বিশ্বকাপে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিকে বিদায় দেওয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমবাপে জানান, ‘আসলে কঠিন মুহূর্তটা হবে যখন আবার ড্রেসিংরুমে ওর সঙ্গে দেখা হবে। কারণ সেখানেই আমরা আবার শুধু মানুষ আর বন্ধু হয়ে যাই। কিন্তু মাঠে আবেগের কোনো জায়গা নেই। আমরা জিততে নেমেছিলাম, সেও জিততে নেমেছিল। ড্রেসিংরুমে আবার যখন ওর সঙ্গে দেখা হবে, তখন বিষয়টা অবশ্যই আমাকে স্পর্শ করবে। কারণ সে আমার খুব কাছের বন্ধু। কিন্তু মাঠে কোনো আবেগ কাজ করে না।’
বর্তমান ফ্রান্স দলটি ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের চেয়েও শক্তিশালী কি না, এমন প্রশ্নে এমবাপের উত্তর ছিল বেশ বিনয়ী। তিনি বলেন, ‘না, আমি তা মনে করি না। আমি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছি, আবার বিশ্বকাপের রানার্সআপও হয়েছি। এই দল এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি।’
তবে দলের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই দলের সম্ভাবনা অনেক। ভবি�