মিশরের কোচ হোসাম হাসান: আগ্রাসী আচরণে বিতর্ক ফের চরমে
আগ র স ম শর র ক – ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ষোলো ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে মিশরের বিদায়ের পর থেকে কোচ হোসাম হাসানের আচরণ বিশেষ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ম্যাচ শেষে রেফারি এবং আয়োজন কর্মীদের সঙ্গে তার বিতর্ক বাড়িয়েছিল কিছু আগ্রাসী কথাবার্তা। সেই মুহূর্তে ক্রীড়াঙ্গনে ঘটেছিল সমালোচনার লাভ।
তিনি ম্যাচের ফলাফল সম্পর্কে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং অভিযোগ করেন যে ম্যাচটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়নি। বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার পর একজন আলোকচিত্রীকে ধাক্কা দিতে হয়েছিল তার। ক্ষোভ ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে আদালতের দ্বার খুলেছিল তার বিরুদ্ধে।
হোসাম হাসানের সহিংস আচরণ এখন পুনরায় সামনে আসছে। তিনি আগে থেকে নানা আপত্তি জনিত ঘটনার কারণে ক্রমাগত দণ্ড ও বিতর্কে জড়ানো ছিলেন। তার কোচিং ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বিশেষ করে রেফারি এবং আয়োজন কর্মীদের প্রতি পরিচালনা করা হয়নি তার অভিযোগ।
২০১৬ সালের জুলাই মাসে ঘটেছিল তার সবচেয়ে বিশেষ ঘটনা। আল-মাসরি ও ঘাজি এল-মাহালার মধ্যকার ম্যাচে আগ্রাসী আচরণে তিনি এক আলোকচিত্রীকে মারধরের অভিযোগ করেছিলেন। তখন সংবাদ প্রকাশক এবং ক্রীড়ার বিতর্ক জনিত পরিস্থিতিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার আচরণ টেলিভিশনের ফুটেজে ক্রমশ আকৃষ্ট হয়েছিল মাঠ থেকে নিয়ে যাওয়ার দরকার হয়।
সেই ঘটনার পর আদালত তাকে সম্পদের ক্ষতির জন্য আর্থিক দণ্ড দেয়। তার পরিচালনার মূল্য সংক্ষিপ্ত করে স্থানীয় ফুটবল ফেডারেশন তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা আরোপ করে। আগ্রাসী আচরণ তার জীবনে সুনির্দিষ্ট পরিচিত।
তিনি আল-আনসারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচেও বিতর্ক ঘটিয়েছিলেন। নিরাপত্তা কর্মীদের সহায়তায় মাঠ থেকে তাকে সরিয়ে নিতে