বেতন নেই, দায়িত্ব আছে: দেশের একমাত্র আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী মেডিকেল কলেজে কর্মবিরতির প্রভাব
ব তন ন ই দ য় ত – বেতন নেই দায়িত্ব আছে হিসেবে বিশেষ করে দেশের একমাত্র সরকারি আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী মেডিকেল কলেজে প্রায় ২২ মাস ধরে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। যদিও তারা তাদের কাজে অবহেলা করেননি, শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও রোগীদের চিকিৎসা চালিয়ে আনেন। কর্মবিরতি বাধ্য হয়েছে কারণ তাদের নিয়োগ প্রকল্পভিত্তিক হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বেতন নিশ্চিত করার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এই সমস্যার কারণে কর্মচারীদের দাবি প্রাপ্ত হয়নি।
বেতন বকেয়া দীর্ঘদিন ধরে বিস্তারিত হয়েছে
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কর্মবিরতির কর্মচারীদের কেউ কেউ ছয় থেকে বারো বছর ধরে কাজ করছেন। তাদের পদ এখনও রাজস্ব খাতে পরিবর্তন হয়নি। বেতন নেই দায়িত্ব আছে হিসেবে কর্মচারীদের অবস্থা গুরুতর হয়ে উঠেছে। সরকার এই সমস্যা সমাধান করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। বেতন নেই দায়িত্ব আছে এই সমস্যার কারণে কাজে জড়িত ব্যক্তিদের আর্থিক আঘাত হচ্ছে।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। বেতন নেই দায়িত্ব আছে এই পরিস্থিতি কারণে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী মেডিকেল কলেজে প্রায় আড়াইশ’ শিক্ষার্থী তাদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হয়েছে। ভাইভা ও পরীক্ষা নিয়ে সন্দেহ জাগছে। কর্মচারীদের দাবি অনুসারে বেতন ছাড়া দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনে তাদের দুঃখ আছে।
“কর্মবিরতির প্রভাব শিক্ষার্থী ও রোগীদের ওপর পড়ছে। এই হাসপাতাল আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতির প্রতিষ্ঠান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বেতন নেই দায়িত্ব আছে হিসেবে কর্মচারীরা চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।”
কলেজের অধ্যক্ষ স্বীকার করেছেন, বেতন পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কর্মচারীদের দাবি অনুসারে কেউ কেউ বলেছেন, বেতন নেই দায়িত্ব আছে হিসেবে কর্মস্থান না থাকলেও বকেয়া বেতনটুকু পরিশোধ করা হোক। তাদের দাবি ন্যায়সংগত বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু অবধি পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।
এই সমস্যা রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের একটি গুরুতর দুর্বলতাকে প্রকাশ করে। বেতন নেই দায়িত্ব আছে এই পরিস্থিতি বিশেষ করে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে বিস্�