চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের ঘটনায় দুই শিশু মৃত্যুবরণ করেন
চট টগ র ম প থক প্রতিদিন নতুন করে সংঘটিত হওয়া পাহাড়ধসের ঘটনায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এবং নগরের চশমা হিল এলাকায় দুই শিশু মৃত্যুর সন্ধান পাওয়া গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে প্রথম পাহাড়ধসে একটি শিশু ঝুলিয়ে পড়ে মৃত হয়, যার মা আহত হন। দুপুরে নগরের আরেক শিশু মৃত হয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার কাজ শুরু করে। ঘটনার পর কর্মকর্তারা বলেন যে চার দিন ধরে নিরন্তর বৃষ্টির কারণে স্থানীয়দের চেতামুখী করা হয়েছিল।
দুটি পাহাড়ধস ঘটেছে কোথায়?
চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের ঘটনা দুই ভিন্ন এলাকায় ঘটেছে। প্রথম ঘটনা সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে ঘটে। এখানে ঘরে থাকা শিশুটি পাহাড় ধসে ঝুলিয়ে পড়ে মৃত্যু হয়। এ সময় শিশুটির মা আহত হন। দ্বিতীয় ঘটনা নগরের চশমা হিল এলাকায় ঘটে, যেখানে শিশুটি পাহাড় ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এই দুটি ঘটনার প্রতিটি চট টগ র ম প থক এলাকার মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে আরও গভীর করে তুলেছে।
“চট টগ র ম প থক এলাকার জনগণ বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর পাহাড়ের পাদদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন, যেটি বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।”
এই পাহাড়ধসের ঘটনায় নিরাপত্তি বিষয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান যে বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল তবে কেউ কেউ সতর্কতা বজায় রেখেন। সীতাকুণ্ডের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এলাকার মানুষ পরিবেশ পর্যালোচনা করতে সক্ষম হননি। পাহাড় ধসের ফলে বাসিন্দারা অসুবিধা ভোগ করেছেন, কিন্তু কেউ কেউ দ্বিতীয় ঘটনার পর স্থানীয় প্রতিক্রিয়া দেখতে সক্ষম হননি।
বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কার সত্যতা কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে চট টগ র ম প থক এলাকায় বৃষ্টি সমাপ্ত হওয়ার আগে পাহাড় ধসের সম্ভাবনা ছিল। সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন বৃষ্টি হওয়ার পর মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করে। এক কর্মকর্তা বলেন, বৃষ্টি এবং বাঁশি রেখে এলাকার জনগণ অতি সাবধানে বাস করছেন, কিন্তু অপরাহ্মণ ঘটনার পর তাদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তি ছিল না। পাহাড় ধসের প্রতিবেশীদের জন্য কোনও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের বায়েজিদ বোস্তামী স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, শিশুটি পাহাড় ধসের কারণে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দুপুরে লাশ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে সীতাকুণ্ডের ঘটনার প্রেক্ষিতে শিশুটির মা লামিয়া আক্তার আহত হন। �