নীরব মহামারি হাইপারটেনশন: সামগ্রিক সমাধানের প্রয়োজন
ন রব মহ ম র হ ইপ – ন রব মহ ম র হ হলো একটি মানবজাতির জন্য সম্পূর্ণ সমস্যা, যেটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব ও রাষ্ট্রীয় প্রতিক্রিয়ায় নির্ভর করে। এই আহ্বান নিশ্চিত করে যে উচ্চ রক্তচাপের নিয়ন্ত্রণ কোনও একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, এটি সমাজ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও পরিবারের একত্রিত দায়।
হাইপারটেনশন বিশ্বের সাইলেন্ট কিলার হিসেবে চিহ্নিত
স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৪০ কোটি মানুষ নীরব মহামারি হাইপারটেনশনে আক্রান্ত। এর মধ্যে কেবল ২৫ শতাংশের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। বাকি মানুষ অবহেলা করে এই সমস্যা চিহ্নিত হয়নি বা চিকিৎসার বাইরে রয়েছে।
গ্লোবাল পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। মোট মৃত্যুর তিন চতুর্থাংশ অসংক্রামক রোগে হয়। এর মধ্যে ১৫-২০ শতাংশ কেস নীরব মহামারি হাইপারটেনশনের জটিলতা বাধা দিয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অসচেতনতার ফল।
বাংলাদেশে নীরব মহামারি হাইপারটেনশন সবচেয়ে গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। মেটা-অ্যানালাইসিসের তথ্য অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের ২০ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। শহরের মানুষের হার এই মানের চেয়ে আরও বেশি।
প্রতি পাঁচ মানুষে একজন নীরব মহামারি হাইপারটেনশনে ভুগছেন। বিশেষ করে ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে আধা শতাংশ তাদের রক্তচাপ সম্পর্কে অবহেলা করে। যারা জানে এবং ওষুধ খায়, তাদের ৬৭ শতাংশের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এটি কারণ হলো চিকিৎসার অভাব ও সচেতনতার অপরিপূর্ণতা।
হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণের চার স্তর সমাধান
নীতি গঠন ও বাজেট পরিচালন ছাড়া নীরব মহামারি হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। প্রক্রিয়াজাত খাবারে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইন প্রণয়ন জরুরি। খাবারের মোড়কে সোডিয়ামের পরিমাণ প্রকাশ বাধ্যতামূলক করতে হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রতি বছর অন্তত একবার রক্তচাপ পরীক্ষা বাড়িয়ে সরবরাহ করা প্রয়োজন। এখন প্রতিষ্ঠানগুলো তামাক নিয়ন্ত্রণের মতো চিকিৎসা ও বিনামূল্�