Bangladesh

শারদুল সজল-এর কবিতা | সংবাদ

5e81f24e-b418-4f3d-926f-1c1e77f0f785-0

শারদুল সজল-এর কবিতা | সংবাদ

Banglabeacon.com – শ রদ ল সজল এর কব ত – টিকটিকির লেজে শৈশবের ছায়া হারিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ব্যাঙ ও সাপের জীবন দৃশ্য খসে পড়ছে। হেমলক সম্পর্কের ওপর গান করছেন, যেখানে উল্কাদের লাফিয়ে পড়ার জ্যামিতিক হিসাব শৈশবের সে ক্ষুধায় জানাচ্ছে। আমরা ছোট হতে হতে পিঁপড়ের ছায়ায় তলিয়ে যাচ্ছি— বর্তমান নাকি এরকমই!

কেউ কাউকে খুঁজে পায় না। শূন্যের সাথে আমার অবৈধ সন্তান আছে। ঘুমের ভেতর দাঁত ব্রাশ করছে নরক, যেন কালো দুধ খেয়ে বড় হওয়া রাত জোছনার ফেনায় ডুবে যাওয়া মৃত কবিদের মহাজগতকে ফ্রিজে বন্ধ করে চোখের ভেতরে ভাসছে পুরনো ট্রাফিক সিগন্যাল।

যেখানে সন্ধ্যা সেদ্ধ হয়ে অতিক্রম করছে সময়। লাইট ট্র্যাভেলের স্পেস-টাইম বক্রতায় ছবির হাটের ঘন কুয়াশা ছড়িয়ে পড়ছে। গ্যালাক্সির শেষ রেখায় কোয়ান্টাম তরঙ্গের গতিশীল হাওয়ায় কবিতা লিখি মহাকাশের ভাষায়, যেখানে ছন্দ মানে গতিশীল মেঘ, রূপক মানে যে নক্ষত্রের আলো আজও পৌঁছায়নি।

ফিরে আসে জীবনানন্দ দাশের নরক খনন কর্মসূচি। সেখানে থেকে ফিরতে ফিরতে সত্যিই রাত ভেঙে যায়। পৃথিবী ভাবে আমি কেবল কল্পনায় থাকি, অথচ ভাঙা মহাবিশ র ক্ষত জোড়া দিতে পৃথিবীকে রাতভর মাথায় নিয়ে হাঁটি।

নরমসুখের ভেতর হাতির পা, নড়ে না পিঁপড়ের মেমোরি ফরমেট খেয়ে হাতির পা ’ কে মনে করছে প্রাচীন পাহাড়-আশ্রয়। দুধেল গাছের ছাল বাকল আর ওদিকে গণি মিয়ার ঘণ্টা পিটুনিতে চেচাচ্ছে অফ পিরিয়ড। মৃতদের হেলমেট ছাতু করে ক্যারাম খেলছে প্রতিবেশি অহংকার।

অন্ধঘড়ির কাঁটা এক পৃষ্ঠার কার্বনে সূর্যগলিয়ে সিল দিচ্ছে ঢোঁরাসাপের চিকন সাঁতার। পুকুরজুড়ে পড়ে আছে দ্বি-খণ্ডিত জলের কংকাল। এভাবে আদি আগুনের তাপ নিতে গিয়ে এ দু ’ চোখ আর কিছুই দেখেনি, কেবল ঈশ্বরের দুর্ভাগ ছাড়া!

একটা আধুনিক ল্যাবরেটরি কাঁচের টিউব, কম্পিউটার, আলো বিজ্ঞান। এখানে নিয়ম মানে সবকিছু মেপে, লিখে রাখা হয় অথচ আমি জানলাম: ১ মানে ১ নয়, ২ মানে কখনো কখনো। ১�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *