ডাক্তারের মিষ্টি কথায় অর্ধেক সুস্থ রোগী, কী বলছে বিজ্ঞান
ড ক ত র র ম ষ – একজন চিকিৎসকের ভালো আচরণ রোগীর মনস্তত্ত্বে প্রভাব ফেলে বিজ্ঞান স্বীকৃত কার্যকারী শক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। আধুনিক গবেষণা দেখায় যে চিকিৎসকের ভালো ব্যবহার ওষুধের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। বিজ্ঞান দেখিয়েছে রোগী যখন বুঝে যান চিকিৎসক তার প্রতি সত্যিকারো দৃষ্টি দিচ্ছেন, তখন তার মস্তিষ্কে প্লাসিবো ইফেক্ট চালু হয়। এটি রোগ প্রতিরোধের শক্তি বাড়িয়ে মানসিক চাপ কমায়।
মনস্তত্ত্ববিদদের মতে রোগীর মানসিক অবস্থা নির্ভর করে চিকিৎসকের প্রতি যে বিশ্বাসে। আচার-ব্যবহারের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয় যখন ডাক্তার নরম সুরে কথা বলেন, রোগীর হাত স্পর্শ করেন বা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এর ফলে মস্তিষ্ক থেকে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়। অক্সিটোসিন প্রকৃতিতে সুরক্ষার বোধ তৈরি করে এবং রক্তচাপ কমায়। এন্ডোরফিন তবে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। ফলে চিকিৎসার পর রোগীর শারীরিক কষ্ট নেমে আসে।
হিপোক্রেটিস বলেছিলেন, ‘রোগটি কেমন, তার জানার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ রোগী কেমন, তা জানা।’
প্রাচীন সময়ে চিকিৎসকদের সম্মান ছিল আচার-ব্যবহার ও ভেষজ জ্ঞানের সমন্বয় হিসেবে। গ্রিক চিকিৎসার জনক হিপোক্রেটিস দেখান দেয় যে রোগের চেয়ে রোগীর মানসিক অবস্থা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পায়নের পর চিকিৎসা ব্যবসায়িক রূপ নিলেও মানুষ তাদের প্রাচীন মানবিক স্পর্শকে প্রাধান্য দেয়।
সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ডাক্তার-রোগী সম্পর্ক একটি চুক্তি। চিকিৎসকের অবস্থান ‘ক্ষমতার আসনে’ থাকার কারণে রুক্ষ আচরণ দূরত্ব বাড়ায়। কিন্তু ভালো ব্যবহার কৃত্রিম দেয়াল ভেঙে দেয় এবং রোগী চিকিৎসককে পরিবারের মতো মনে করে।
বিজ্ঞানে এটাকে ‘মেডিকেল এম্প্যাথি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। যদিও ওষুধ শরীরের রোগ দূর করে, চিকিৎসকের আচরণ আত্মার স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি করে। আধুনিক প্রযুক্তি কোনো যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়নি যে মানুষের কষ্টকে মমতায় ছুঁয়ে দেখার বিকল্প দেয়।
ডিএনএতে এই আদিম আশ্রয় ক্ষেত্রে মানুষ বিপদে বেঁচে থাকার জন্য দলের সদস্যদের যত্ন ও সহান�