যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চুক্তি প্রত্যাখ্যান: লেবাননের পার্লামেন্ট কেন নিয়োগ দিল না?
য ক তর ষ ট র ইসর – লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার ও হিজবুল্লাহর সহযোগী নাবিহ বেরি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং লেবাননের ত্রিপক্ষীয় কাঠামো চুক্তি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা করেছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো এই ঘটনা নিশ্চিত করেছেন যে চুক্তি পাস হবে না এবং বর্তমান রূপে কার্যকর হবে না। বেরি আরও বলেন, চুক্তিতে লেবাননের অধিকার নিশ্চিত করা হয়নি, তাই এটি বর্তমান রূপে কার্যকর হবে না। তিনি আরও দাবি করেন যে চুক্তি লেবাননের অধিকার সংরক্ষণের চুক্তি নয়, বরং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে লেবাননে তাদের দখলকৃত এলাকাগুলো থেকে সরে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছাড়া চুক্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
চুক্তি কেন কঠিন করে তুলছে?
বেরি বলেন, চুক্তির প্রকৃতি অসম্পূর্ণ, কারণ ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের ভূখণ্ড থেকে সরে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছাড়া বাস্তবায়ন হবে। লেবাননের সাধারণ জনগণও চুক্তির প্রতি বিরোধী মত প্রকাশ করেছেন। আল জাজিরা নিয়ে একটি বিবৃতিতে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহর দাহিয়েহ থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতির সমালোচনা করেছে। এখানে বাসিন্দা আলী যায়তুন বলেন, তার পরিবার ও গ্রামগুলো ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাই চুক্তিটি মেনে নেওয়া তার পক্ষে অত্যন্ত কঠিন।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বর্তমান চুক্তি লেবাননের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অক্ষম হয়েছে। চুক্তি স্থাপন করার সময় লেবাননের কর্তৃপাল দখল কৃত এলাকাগুলো থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে বাড়তি শর্ত দিয়ে এগিয়ে আসে। বেরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত চাপ ছাড়া লেবাননের নিরাপত্তি আইন কার্যকর করা সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, চুক্তি হবে না বা কার্যকর হবে না বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো তার মত প্রকাশ করেছে।
নাগরিকদের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে
“যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বর্তমান চুক্তিতে লেবাননের জনগণ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন না। এই চুক্তির মাধ্যমে লেবানন আরও কম পরিমাণে অস্ত্র সংগ্রহ করতে বাধ্য হবে।”
লেবাননের পার্লামেন্টের বিবৃতি সম্প্রতি বিশ্বের মাঝে বিস্তার পেয়েছে। লেবাননের সাধারণ মানুষদের মত অনুসারে, চুক্তি তাদের জীবন ও সম্পত্তির স্বাধীনতা ক