ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন থার্ড টার্মিনাল চালু হওয়ার আগে নানা সংকট দেখা দিয়েছে।
ন ন স কট চ ল হচ – বিমানবন্দরের আশেপাশে নতুন স্থাপত্যশৈলীতে সুন্দর বাহন স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রীদের আসা-যাওয়ার সময় সুবিধা দেওয়ার জন্য অনেক কর্মচারীর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু নতুন টার্মিনাল চালু হওয়ার আগে বিভিন্ন কারণে কর্মিদের বিতর্ক চলছে।
সাধারণ যাত্রীদের জন্য আধুনিক সুযোগ দেওয়া যাচ্ছে না
বর্তমানে বিমানবন্দরের পুরানো টার্মিনালে ইমিগ্রেশন বিভাগে প্রায় ৬০০ জন কর্মচারী দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু অসুস্থতা ও ছুটির কারণে অনেকে অনুপস্থিত হয়ে যাওয়ার কারণে জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। তাই সংকট ছাড়া থার্ড টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।
একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, “থার্ড টার্মিনাল চালুর আগে জরুরি ভিত্তিতে নতুন সার্ভার সিস্টেম স্থাপন করা দরকার।”
বিশেষজ্ঞদের মতে ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করতে বিশাল চাপ সামলানোর জন্য স্থাপন করা হবে নতুন সার্ভার সিস্টেম। কিন্তু এ কাজের জন্য কমপক্ষে ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার বড় বরাদ্দ প্রয়োজন। যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো দ্রুত প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মানুষ পাচার ও সোনা চোরাচালান রোধে স্পেশাল ব্রাঞ্চের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অনেক যাত্রী জানে না দালালদের সাহায্যে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
বৃদ্ধি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে
মালিবাগে অবস্থিত এসবির প্রধান কার্যালয় থেকে নতুন সার্ভার সিস্টেম ও আধুনিক প্রযুক্তির দাবি উঠেছে। স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে এসবি-তে ৫ হাজার ৬শর জনবল রয়েছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অপরাধীদের নজরদারি জোরদার করতে আরও ৯০০ জনবল বৃদ্ধির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
স্পেশাল ব্রাঞ্চের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “জনবল ও আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন সার্ভার পাওয়া গেলে প্রশাসন হার্ডলাইনে থেকে যে কোন ধরনের দেশী-বিদেশী অপরাধী চক্রকে শনাক্ত করতে বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করবে।”
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ যাত্রী আসে ও যায়। মাসে প্রায় ৯ লাখ যাত্রী পৌঁছানো হয়। এ জন্য ইমিগ্রেশন, শুল্ক ও চেকিং প্রক্রিয়া বাড়ানো দরকার। এখনো টার্মিনালে লাউঞ্জের ব্যবস্থা ও পোশাক বসার জায়গা চূড়ান্ত আলোচনা শেষ হয়নি।