ব্রহ্মপুত্রে বালাসী-খোলাবাড়ী সেতুর দাবিতে মানববন্ধন
ব রহ মপ ত র ব ল – শনিবার (২৭ জুন) দুপুর ১১টার সময় গাইবান্ধা শহরের গানাসাস মার্কেটের সামনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদে বালাসী ঘাট থেকে খোলাবাড়ী পর্যন্ত সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে সরকার ও প্রশাসনকে চাপ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে সংগঠিত মানববন্ধন কর্মসূচি। এই কার্যক্রমটি স্থানীয় মানুষের স্বার্থে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে ব্রহ্মপুত্র নদে সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের সমাজে বিশেষ গুরুত্ব অর্জন করেছে।
কেন্দ্রীয় কমিটি ও আন্দোলনের উদ্যোগ
বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খোলাবাড়ী পর্যন্ত সড়ক সেতু নির্মাণের দাবিতে গাইবান্ধা জেলার মানুষ একটি প্রতিষ্ঠাতা কমিটি গঠন করেছে। কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আশরাফ আলী এ আন্দোলন গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, ব্রহ্মপুত্রে বালাসী-খোলাবাড়ী সেতু অবতরণ হলে গাইবান্ধা জেলা সমুদ্র থেকে মুক্তি পাবে এবং বিশেষ করে হিলি, সোনাহাট ও চিলাহাটি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে।
ব্রহ্মপুত্রে বালাসী-খোলাবাড়ী সেতুর প্রয়োজনিতা
ব্রহ্মপুত্র নদে বালাসী ঘাট থেকে খোলাবাড়ী পর্যন্ত সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবি একটি প্রকল্প হিসেবে আরও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সড়ক সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে মাত্র সাড়ে চার কিলোমিটার এবং এটি প্রতিটি সপ্তাহে আরও আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা সৃষ্টি করবে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই সংগঠনে অংশগ্রহণ করেছেন যারা ব্রহ্মপুত্র নদে সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের সাথে সম্পৃক্ত সমস্যাগুলি তুলে ধরেছেন।
ব্রহ্মপুত্র নদে বালাসী-খোলাবাড়ী সেতু নির্মাণ হলে হিলি, সোনাহাট ও চিলাহাটি স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহন খরচ দ্রুত কমে আসবে। প্রতিষ্ঠাতা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জে. এইচ. মুজকুরী বলেন, এই সেতু গাইবান্ধা জেলার জনগণের অভিজ্ঞতা পরিবর্তন করবে এবং ব্রহ্মপুত্রে বালাসী-খোলাবাড়ী সেতু অবতরণের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি উন্নত হবে।
আনোয়ারুল ইসলাম লেবু, অ্যাডভোকেট মোস্তফা মনিরুজ্জামান ও অন্যান্য আন্দোলনের প্রতিনিধিরা বলেন যে ব্রহ্মপুত্রে বালাসী-খোলাবাড়ী সেতু অবতরণের দাবিতে স্থানীয় মানুষ আরও বিশেষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তারা দাবি জানান যে সরকারের পক্ষে প্রতিষ্ঠাতা কমিটি অর্থনীতির অবকাঠামো প্রসার করেছে। এছাড়াও এই প্রকল্পটি স্থানীয় পরিবহনের সমস্যা দূর করবে এবং সরাসরি গাইবান্ধা জেলার সামাজিক