প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনের সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন
ম লয শ য ও চ ন – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনের বিদেশ সফর সমাপন করে আজ রাতে দেশে ফিরছেন। সফরের পরিসমাপ্তির সাথে সাথে তিনি চীনের রাজধানী বেইজিং থেকে সরাসরি একটি বিমানে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। আসামান সময় সেন্টারে অবতরণ হবে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৮টার দিকে। এই সফর বাংলাদেশের বৈপ্লবিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রবল করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছিল, যা মালয়েশিয়া ও চীনের সাথে প্রতিষ্ঠিত সহযোগিতার দিকে নিশ্চিত করে আনুষ্ঠানিক গুরুত্ব স্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তার সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও প্রবল করা এবং সামাজিক সাহায্যের বিষয়ে মন্তব্য করা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তাব এবং চুক্তি অর্জন
মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেন এবং আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তিনি মালয়েশিয়ার সাথে কৃষি উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য শক্তি বিষয়ে আলোচনা করেন, যখন চীনে তার বৈঠক বিশেষ করে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য প্রসারের জন্য মালয়েশিয়া ও চীনের সাথে বিভিন্ন প্রস্তাব আহবান করেন। কার্যকারী সম্পর্কের প্রসারে কী কী পদক্ষিপ্ত অর্জন হয়েছে তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার এবং মালয়েশিয়া ও চীনের মধ্যে সম্পন্ন চুক্তিগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করে সংবাদ সূত্রে জানানো হয়েছে। তথ্যসূত্র অনুযায়ী, মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রী পরিচিতি প্রদানের পর পর স্বাগত অনুষ্ঠানের জন্য দেশের বিশিষ্ট নেতাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। কেবল জনসমাগম ছাড়া আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা দেখানো হবে, যা নিরাপদ এবং নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চুক্তি প্রয়োগ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান প্রকাশ করবে।
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ রাতে সংগঠিত অভ্যর্থনার প্রতিটি পর্যায়ে মালয়েশিয়া ও চীনের সফর সম্পর্কে বিশেষ মন্তব্য করা হবে। একটি বিশেষ বিমানে প্রধানমন্ত্রী একা এসে পৌঁছবেন, যা তার আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার স্থানে বিশেষ সম্মান নিশ্চিত করবে। মালয়েশিয়া ও চীনের সফর একটি সুসার সফর হয়েছে, এটি সরকার সম্পর্কে প্রস্তাব ও চুক্তি অর্জনে অবদান রেখেছে।
“মালয়েশিয়া ও চীনের সফর সুসার হয়েছে এবং এর ফলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও আগামী প্রসারের প্রতিকূল বাধা কমিয়ে আসবে।” – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান