কালভার্টের নিচে নিখোঁজ চালকের পচা লাশ
ক লভ র ট র ন চ – কালভার্টের নিচে নিখোঁজ চালকের পচা লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর সম্প্রদায় আরও গুম হয়ে গেছে। তিন দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যায়নি ইব্রাহিম খান (২৫) নামের মাইক্রোবাস চালকের পর পুলিশ তার লাশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কের পাশে খুঁজে বেড়ানোর পর শব কালভার্টের নিচ থেকে উদ্ধার করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য করা হয়েছে যে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া দরকার।
ইব্রাহিম খানের নিখোঁজ ও ঘটনা পরিস্থিতি
ইব্রাহিম খান পাঁচদোনার নেহাব গ্রামের শহীদ খানের ছেলে। তিনি একটি মাইক্রোবাস চালানোর জন্য পরিচিত ছিলেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি কালভার্টের নিচে আবদ্ধ হয়ে গেছেন। তার নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা সব সম্ভাব্য স্থান খুঁজে বেড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। যখন সফলতা পাওয়া যায়নি, তখন পলাশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি তৈরি করে পুলিশকে নোটিশ দেওয়া হয়। অবশেষে খবর পেয়ে পুলিশ স্থানে উপস্থিত হয়ে শব উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
আজ দুপুরে পরিবারের সদস্যরা ভাগদী এলাকায় যাওয়ার সময় সড়কের পাশে পচা দুর্গন্ধ পেয়ে সন্দেহ বোধ করেন। পুলিশ সেখানে খুঁজে ইব্রাহিমের লাশ পাওয়া যায়। শব কালভার্টের নিচে আবদ্ধ ছিল, তবে তার চোখ বন্ধ হয়ে গেছে এবং কাঁপছে। তদন্তকারীদের মতে, তিনি প্রাকৃতিক কারণে ঘটনার জন্য প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, হত্যার পর শব গুম করার উদ্দেশ্যে ঘাতকরা কালভার্টের নিচে ইব্রাহিমের লাশ ফেলে দিয়েছিলেন। ময়নাতদন্তে সম্পর্কে পুলিশ তার পরিবারকে আরও বিস্তারিত তথ্য দেয়ার জন্য কাজ চলছে। স্থানীয়দের মতে, এই ঘটনা সম্পর্কে আরও অনেক প্রশ্ন উঠেছে।
গুম করা লাশের সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশ
আঞ্চলিক সমাচার সংস্থা পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া করেছে। কালভার্টের নিচে আবদ্ধ শবের প্রতি চারপাশে একটি আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করছেন যে তিনি কোনো অপরাধীর কাছে সম্পর্ক