‘জুলাই শহীদের’ মরদেহ ছাড়াই ফিরলেন ম্যাজিস্ট্রেট
পরিবারের আপত্তি ও ম্যাজিস্ট্রেটের পদক্ষেপ
জ ল ই শহ দ র মরদ – জুলাই শহীদের মরদেহ উত্তোলনের আপত্তি পরিবারের সদস্যদের দ্বারা উঠানো হয়েছে। ফেনী জেলার সোনাগাজীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আবদুর গণি বোরহানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরিবারের কোনও সদস্য এ বিষয়ে বিরোধ জানালে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দল মরদেহ ছাড়াই ফিরে আসেন। সেই আপত্তির কারণ বোরহানের পরিবার তাঁকে এক নির্দিষ্ট সময়ে দাফন করেছে বলে জানিয়েছেন।
তদন্তের প্রক্রিয়া ও বিশেষ তথ্য
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকা রমনা থানার উপপরিদর্শক মো. হানিফ এবং ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ মিয়া সোনাগাজীর ছাড়াইতকান্দি গ্রামে যান। সেখানে নিহতের বড় ভাই আমানত উল্যাহ জুলাই শহীদের মরদেহ উত্তোলনে লিখিত আপত্তি জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উত্তোলন করলে আমাদের পরিবারের মানসিক অনুভূতির উপর গুরুতর আঘাত হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতি প্রাসঙ্গিক হওয়ায় আমরা কোনও রূপে আপত্তি জানিয়েছি।’
‘জুলাই শহীদের মরদেহ আমাদের জন্য পবিত্র। এখন তাঁকে দাফন করা হয়েছে অনেক আগে। আবার ময়নাতদন্তের জন্য তুলে আনা হলে আমাদের পরিবার তাকে আর স্বীকার করতে পারবে না। আদালত আমাদের আপত্তির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।’
জুলাই শহীদের পরিচয় ও মৃত্যুর প্রক্রিয়া
জুলাই শহীদের মরদেহ উত্তোলনের পিছনে কী কারণ ছিল তা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। নিহত ছাত্র বোরহান মেধাবী ছিলেন সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের মাস্টার আহসান উল্যাহর ছেলে। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেছিলেন। মৃত্যুর মাত্র ১১ মাস আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন এবং রাজধানীর বাংলামোটরে সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্সে আইটি কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করছিলেন। নিহতের পরিবারের মতে, তাঁকে দাফন করা হয়েছে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার পর প্রথম থেকে পূর্ণ রূপে গৃহীত হওয়ার পরিবর্তে একটি প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তদন্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য
জুলাই শহীদের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিবার ও পুলিশের মধ্যে বিভিন্ন মতামত ছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, ‘আদালত পুনরায় মরদেহ উত্তোলন নির্দেশ দিয়েছেন যেহেতু �