শাহজালাল মাজারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে উদ্বেগ, ৬৬ বিশিষ্ট নাগরিক আবেদন জানায়
স ল ট ম জ র প – সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপন ও পুরোনো দানের ডেগ সিলগালার ফলে দেশ ও প্রবাসের নাগরিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে তারা জানায় যে এ ধরনের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ সিলেটে শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী দরগাহে অতীতে কখনো দেখা যায়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে দান-খয়রাত ও মানতের অর্থে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজন সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে আইনি এখতিয়ার বা আদালতের নির্দেশনা ছাড়া যেভাবে দরগাহের অভ্যন্তরীণ পরিচালনায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে, তাতে সিলেটের সর্বস্তরের জনসাধারণ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছে।
তারা অবিলম্বে দরগাহ শরীফ থেকে প্রশাসনের দানবাক্স, তালা ও পুলিশি বেষ্টনী প্রত্যাহারের আহ্বান জানায় এবং সিলেট অঞ্চলের সব জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের সর্বোচ্চ মহলে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
নাগরিকদের মধ্যে স্বাক্ষরকারীদের তালিকা
বিবৃতি স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও নেফ্রোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী তবারক হোসেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের সাথে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সিলেটের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দা শিরীন আক্তার এবং প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী রয়েছেন।
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল, কবি শামিম আজাদ, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. তারেক আজাদ এবং পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট সিলেটের ট্রাস্ট্রি সাকী চৌধুরী সহ বিভিন্ন প্রতিনিধিরা এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন।
মাজার সংস্কৃতি ও সামরিক হস্তক্ষেপের সংঘাত
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে পীর-আউলিয়াদের দরগাহ পর্যটন কেন্দ্র নয়—এটি সুফি সংস্কৃতির প্রতীক। শাহজালাল ও শাহপরান দরগাহ বিশ্বাস করেন যে এই ঐতিহ্য জাতি-ধর্ম-বর্ণ বিশেষ না করে সব মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে সাতশ বছর ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে।
তারা �