ফরিদপুরে সওজের ৭ কোটি টাকার জমি উদ্ধার
ফর দপ র সওজ র ৭ ক – ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রায় ৩১ শতাংশ সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। এই উদ্ধার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় সওজের জমি উপর আরোপিত আইন বলে পরিচিত কৈজুরি ইউনিয়নের শলাকুন্ড গ্রামে। এই জমির বাজারমূল্য প্রায় সাত কোটি টাকা হিসাবে আনুমানিক করা হয়েছে, যা সরকারি ক্ষেত্রে বিস্তারিত হতে থাকবে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, যারা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য কোতোয়ালি থানার পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদের নিয়োগ করেছিলেন।
অভিযানের প্রক্রিয়া ও অর্থনৈতিক প্রভাব
রোববার (২১ জুন) দুপুরে সওজ ও উপজেলা প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত একটি সংক্রমণ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে কৈজুরি ইউনিয়নের সদর এলাকায় দুই ঘণ্টার জন্য সরকারি জমি উপর গৃহপালন কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ কার্যক্রমে জমি উদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট বর্ণনা করা হয়েছে যে সেই স্থানে গৃহপালন কাজের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করা হচ্ছিল। এই জমি উদ্ধারের ফলে প্রায় সাত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এ বিষয়ে আরও কিছু তথ্য হলো যে এই জমি উদ্ধার কার্যক্রম দীর্ঘ সময় ধরে সমস্যার সমাধানের প্রয়োজন ছিল।
হামজা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ
এই উদ্ধার কার্যক্রমে গৃহপালন কাজে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি পরিচালিত অভিযানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, “ফর দপ র সওজ র ৭ কোটি টাকার জমি বাজারে বিক্রি করার পরিবর্তে সরকারি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছিল। আমরা অবৈধ অধিগ্রহণ সম্পর্কে অবগত হয়েছিলাম এবং সেই অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।” অভিযানে নির্দেশ দেওয়া হয় সওজ জমি বিষয়ে বারবার তথ্য প্রদান করতে এবং কাজ বন্ধ করতে। সরকারি জমি নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করার জন্য কোতোয়ালি থানার পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদের নিয়োগ করা হয়।
অভিযানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে যে এই স্থানে হামজা নামে এক ব্যক্তি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জমি উপর অবৈধ মার্কেট বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করেছিলেন। এই জমি নিয়ন্ত্রণ গ্রামের বাসিন্তে প্রভাব ফেলেছিল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সদর উপজেলা প্রশাসন নির্দেশ দিয়েছিল যে কৈজুরি ইউনিয়নে সরকারি জমি অবৈধ অধিগ্রহণ বন্ধ করা হবে। তবে হামজা নামে এই ব্যক্তি আইন বিপর্যয় করে জমি উপর কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩১ শতাংশ সরকারি জমি ফরিদপুর সদর উপজেলার বিশেষ করে শলাকুন্ড গ্রামে অবৈধ উপায়ে ব্যবহৃত হয়েছিল।
প্রতিবে