চরফ্যাশনে বন অফিসের পুকুরে মিলল মরদেহ
চরফ য শন বন অফ স র – রোববার (২১ জুন) সকাল ১০টার দিকে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা বন অফিসের পুকুর থেকে মো. কালু (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার স্থানে অবস্থান করা কর্মচারীদের মো. কালু ছিলেন কার্যালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে সূত্র থেকে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেয়। উপজেলার পৌরসভার বাসিন্দারা ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন সময় ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।
মৃত ব্যক্তির পরিবার দাবি
মৃত ব্যক্তি চরফ্যাশন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দ আহাম্মদের ছেলে মো. কালু ছিলেন। তাঁর পরিবার জানিয়েছে যে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা তাঁকে অস্থায়ী জীবনযাপনের জন্য দাবি করেছেন। উপজেলা বন অফিসের কর্মসংস্থান বিষয়ে তাঁর সাথে যুক্ত ছিলেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাঁর পরিবারের দাবি অনুযায়ী, তিনি বিশেষ করে বন অফিসের প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে খুব আগ্রহী ছিলেন।
পুলিশের বিবরণ
উপকূলীয় বন বিভাগের চরফ্যাশন রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সালাম হোসেন বলেন, সকালে পুকুরঘাটে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর পৌঁছেছিল। পরে তারা মরদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্না করে। চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ আল-ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ নিয়ে যায়। তিনি বলেন, বন অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল যে সময় তিনি চরফ্যাশন এলাকায় কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বন অফিসের কর্মচারীদের মাঝে সংশয় উপস্থিত হয়েছে যে মো. কালু কর্মসংস্থান ও অপরাধ সম্পর্কে তাঁর কোন কারণ ছিল।
অঞ্চলের পরিস্থিতি এবং বিশেষ পরিস্থিতি
চরফ্যাশন উপজেলা বন অফিসের আঁতো সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় ব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণত সংঘটিত হওয়া ঘটনা নিয়ে পরিবারের চিন্তা জাগিয়েছে। এটি হতে পারে কর্মকর্তার সাথে কিছু আলোচনা বা ঘটনা হয়েছে। বন অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে বিষয়টি আলোচনা করে ময়নাতদন্ত তদন্না চালু করা হয়েছে। কর্মচারীদের মাঝে ধারণা ছড়িয়েছে যে মৃত ব্যক্তি কোন স্থানীয় অপরাধ বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত মামলার কারণে হত্যা হতে পারে।
চরফ্যাশন উপজেলার পরিদর্শন
চরফ্যাশন উপজেলা পৌরসভার বাসিন্দাদের কাছে এ ঘটনা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। বন অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তি বন অফিসের কর্মসংস্থান বিষয়ে নিয়োগের পর থেকে নিজের মানসিক অস্থি