বাজেটে বঞ্চিত গ্রামীণ মজুররা, ঝিনাইদহে সমাবেশ
ব জ ট বঞ চ ত গ – রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া বাজারে শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ক্ষেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবীদের জন্য কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকার অধিকারের দাবি তুলে ঝিনাইদহে বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তাবিত বাজেটের ক্রমাগত সমালোচনার মাধ্যমে সংগঠনের নেতারা আগ্রহ প্রকাশ করেন যে এই বাজেটে কৃষক ও অস্বচ্ছ প্রকল্পের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদকের কথা
যে কোনও বাজেটের শুরুতেই তিনটি অশুভ লক্ষণ চোখে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিক হয়নি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অসম বাণিজ্য চুক্তি গ্রহণ করা হয়েছে, পদ্মা ব্যারাজ নামক বিতর্কিত মেগা প্রকল্প অস্বচ্ছ ভাবে গৃহীত হয়েছে।
আটটি দাবি বিস্তারিত বরাবর
সমাবেশে আটটি মুখ্য দাবি বিবৃত হয়েছে, যার মধ্যে প্রধানত নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহ করা, উপকারভোগীদের মাতৃ ও মাতার ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি, বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, আইটি প্রশিক্ষণ সরবরাহ করা, সামাজিক মালিকানার ব্যবস্থা ও বর্ষাতে ফসল ক্ষতির পরিমাণ কমানো সহ বিষয়গুলি উল্লেখ করা হয়।
প্রথম দাবি হিসেবে পল্লী রেশনিং চালু করা হবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য চাল, ডাল, তেল, লবণ, আটা ও চিনি ন্যূনতম দামে সরবরাহ করা হবে। দ্বিতীয় দাবি হলো ষাটোর্ধ্ব মজুরদের জন্য মাসিক দশ হাজার টাকা পেনশন বিনা জামানতে দেওয়া হবে। তৃতীয় দাবি হিসেবে ইউনিয়ন ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডাক্তার-নার্স ও ওষুধের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
চতুর্থ দাবি হলো মজুরদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও চাকরি নিশ্চিত করা। বাস্তুহীন ও ভূমিহীনদের জন্য গুচ্ছগ্রামে ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা ও জাল যার, জলা তার নীতি অনুযায়ী হাওড়-বাঁওড়-বিল-খাস জলাশয়ের ইজারা বাতিল করে জেলে-মজুর-ভূমিহীনদের সামাজিক মালিকানা ব্যবস্থা করা হবে। অতিপ্রাচুর্ভাগ নেতারা আরও বলেন যে বাজেটের অর্থ দরিদ্র মানুষের কর থেকে আসছে, কিন্তু তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
ফসল ক্ষতি ও অনুরোধের বিস্তারিত বিবরণ
ছবি: সংবাদ বাজেটের সংক্ষিপ্ত মূল্য বৃদ্ধি করে খেটে খাওয়া মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পানিতে তলিয়ে ধান ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও বর্গাচাষীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রস্তাব তুলে আবেদন করা হয়েছে।
সমাবেশটি বাংলাদেশ ক্�