বারাক ওবামা ইরান যুদ্ধের পর মার্কিন অবস্থা বিশ্লেষণ করেছেন
ইর ন য দ ধ র পর – পূর্ববর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের চালু অবস্থার চেয়ে আরও শোচনীয় বলে মন্তব্য করেন। গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) শিকাগোতে ওবামা প্রেসিডেনশিয়াল সেন্টার উদ্বোধনের আগে এনবিসি নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সমঝোতা থেকে সমস্যা
ওবামা ইরান পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের বিরুদ্ধে স্থাপিত ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সমঝোতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মার্কিন সরকার ইরান পারমাণবিক সক্ষমতা প্রস্তাবের শর্ত ছিল, কিন্তু ট্রাম্প সেই চুক্তি বাতিল করায় ইরান আরও বেশি পারমাণবিক ক্ষমতা অর্জন করেছে।
“যুদ্ধের আগে আমরা ছিলাম যে অবস্থায় আবার ফিরে এসেছি। বরং বলা যায়, বর্তমান সময় আগের চেয়ে অধিক অস্থির।”
ভ্যান্সের দাবি ও অনিশ্চয়তা
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি ক্ষীণ হয়ে গেছে এবং জ্বালানির দাম কমছে। তবে তাঁর সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত হওয়ায় আরও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।
ইরানের রেড লাইন ও অবস্থা
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে যে কোনো আলোচনায় তেহরানের নির্ধারিত শর্তগুলো মানতে হবে। অথবা জবাব দেওয়া হবে তিনি সতর্ক করেছেন।
যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালি ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এনবিসি নিউজে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ওবামা, যুদ্ধের আগে প্রাণ হারিয়েছে অসংখ্য মানুষ, আর ব্যয় হয়েছে শত শত কোটি ডলার। সেই বিনিময়ে প্রাপ্তি শূন্য।
“আমরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহি করার দায়িত্ব নাগরিকদেরই নিতে হবে। অস্থির এই সময়ে মূল্যবোধের চর্চা জরুরি বলে মনে করি।”
এক্সন মবিলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল চ্যাপম্যান সতর্ক করে বলেন, কৌশলগত মজুত সংকটজনক হয়ে গেলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ ডলারে উঠতে পারে।