ব্যাংক খাতে প্রথমবার নিট লোকসান: এক দশকের পর খাতের গুরুতর বিপর্যয়
ব য ক খ ত প রথমব – ব্যাংক খাতে নিট লোকসানে পৌঁছেছে প্রথমবার। গত বছর বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যেখানে নিট ক্ষতি ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে। আগের বছর খাতটি নিট মুনাফা হিসাবে ১২ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা করেছিল। এ সময়ে নিট লোকসান হারটি খাতের স্থিতিশিলতা ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিট লোকসানের মূল কারণ
ব্যাংক কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছেন যে দীর্ঘদিনের ঋণ অনিয়ম, আর্থিক জালিয়াতি এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি সামগ্রিকভাবে খাতের আয়ের মূল সমস্যা হিসেবে আসে। বিপুল পরিমাণে অবৈধ ঋণের চাপে খাতটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে নিট লোকসান হারে পুনঃতফসিল করা ঋণ কারণে সামগ্রিক ক্ষতি হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
ব্যাংক গুলির ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থা
খাতের প্রথম লোকসানে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। ব্যাংকটির নিট লোকসান ৬৬ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা। আগের বছর এটির মুনাফা ছিল ১৩৫ কোটি টাকা। এস আলম গ্রুপের ব্যাংক খাতে গুরুতর অনিয়মের শিকার হয়েছে।
অন্যান্য ব্যাংকগুলির পরিস্থিতি বেশি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে নিট ক্ষতি ৩১ হাজার কোটি টাকা, এক্সিম ব্যাংকে ২৮ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে জনতা ব্যাংকে নিট লোকসান ৩ হাজার ৮২০ কোটি টাকা।
বেসরকারি ব্যাংকগুলির মধ্যে এবি ব্যাংকে নিট লোকসান ৩ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা, আইএফআইসি ব্যাংকে ২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংকে ২ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা এবং প্রাইম ব্যাংকে ৯৯২ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। খাতে নিট লোকসানের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকে নিট লোকসান ১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা, সিটি ব্যাংকে নিট লোকসান ১ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা।
“খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি হয়ে গেলে সমস্যাগ্রস্ত সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে যা খাত সম্পূর্ণ লোকসানে পৌঁছে দিয়েছে।” বলেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
“পুনঃতফসিল করা বিপুল ঋণে দুই বছর গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হয়েছে যে কারণে ব্যাংকগুলো ঋণ থেকে আয় করতে পারে না।” বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের �