সব সেক্টরে নারীদের অংশগ্রহণ আগের চেয়ে বাড়ছে: স্পিকার
সব স ক টর ন র দ – বাংলাদেশের সব সেক্টরে নারীদের অংশগ্রহণ আগের তুলনায় বেশি হচ্ছে এমন একটি সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতিসংঘের সহযোগী সংগঠন ইউএন উইমেনের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিংহ। সোমবার (১৭ জুন) সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। স্পিকার উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সব সেক্টরে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্মানের পরিবর্তনের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ বিষয়ে আরও পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেন তিনি বলেন, বিশেষ করে শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে নারীদের সংখ্যা সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
নারীদের ক্ষেত্র প্রসারের সফল মুহূর্ত
স্পিকার বলেন, “নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সব সেক্টরে নারীদের জন্য সমান সুযোগ ও সুবিধা অবৈধ নয়।” সেনাবাহিনী ও পুলিশ ক্ষেত্রে বিশেষ করে নারীদের বৃদ্ধির পরিমাণ আস্থার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমানে সব সেক্টরে নারীদের সংখ্যা অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতার পরিচয় দিচ্ছে। গণতন্ত্র ও সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সাথে নারীদের ক্ষেত্র প্রসার বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার দ্বারা ক্ষেত্রে সমান সুযোগ বিতরণ করা হচ্ছে, যা নারীদের শিক্ষা, শিল্প ও গবেষণার ক্ষেত্রে নিরাপত্তি অব্যাহত রাখতে সহায়তা করছে।
সব সেক্টরে নারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধির কারণগুলি
নারীদের সব সেক্টরে অংশগ্রহণের বৃদ্ধির পেছনে একটি মূল কারণ হলো সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাসের বৃদ্ধি। গ্রামাঞ্চল থেকে শহর পর্যন্ত সব সেক্টরে নারীদের ক্ষমতার বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে নারীদের সামাজিক অবস্থার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। সব সেক্টরে নারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধির মূল কারণগুলি হলো সমাজ পরিবর্তনের প্রভাব, শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, এবং সরকারি প্রতিশ্রুতির সাথে সাথে বিশেষ করে নারীদের জন্য নীতিমালা প্রকাশ করা।
এ বিষয়ে স্পিকার বলেন, “নারীদের সব সেক্টরে অংশগ্রহণের বৃদ্ধি সমাজে নারী শিক্ষা ও বৃদ্ধির সাথে সাথে আসছে।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, সব সেক্টরে নারীদের বৃদ্ধি হচ্ছে যেমন স্বাধীনতা ও সমান অধিকারের চেয়ে বেশি পরিমাণে সম্প্রতি নারীদের অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ ক্ষেত্রে নারীদের সংখ্যা সম্প্রতি গুরুতর বৃদ্ধি পেয়েছে। সব সেক্টরে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি একটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
তিনি যোগ করেন, “সব সেক্টরে নারীদের উপস্থিতি সামাজিক স্বাধীনতার চাপ নিয়ে একটি অগ্রগতি প্রতিফলন করছে।” এ বিষয়টি তিনি আরও বিস্তারিত করেন বলেন যে, সব সেক্টরে নারীদের ক্ষমতা সম্প্রতি গুরুতর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা সম্প্রতি সরকারি প্রতিশ্রুতি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিষয়ে একটি স্থায়ী বিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এ বিষয�