News

শান্তিরক্ষায় নতুন মাইলফলক গড়তে চায় ঢাকা | সংবাদ

90bb99ee-d284-4a59-bdbd-a96a83bbbf0d-0

শান্তিরক্ষায় নতুন মাইলফলক গড়তে চায় ঢাকা | সংবাদ

Banglabeacon.com – শ ন ত রক ষ য় নত – শান্তি রক্ষার প্রতি জোর দিয়ে প্রচার করতে চায় ঢাকা শহর। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সাথে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বৈঠকে গণতান্ত্রিক সংস্থাগুলি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি তাঁর মনোনয়ন নিশ্চিত করে। আলোচনার মাধ্যমে শান্তির কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত সারাংশ অর্থ নির্ধারণ করা হয়।

নবনির্বাচিত সরকারের স্থায়ী লক্ষ্যগুলি

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “আমাদের সরকার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির সহায়তা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে শান্তির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা গ্রহণ করে। শান্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের আস্থা নিশ্চিত করতে আমাদের স্থায়ী প্রচেষ্টা অবশ্যই আছে।” এই বৈঠকে শামা ওবায়েদ ইসলাম জাতীয় শান্তি ও নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ বিষয়গুলি বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি পররাষ্ট্র কর্মসূচী এবং জাতিসংঘের সহযোগিতা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকা নিশ্চিত করার কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “আমাদের সরকার সামাজিক ন্যায় ও মানবাধিকার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে শান্তির স্থায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালু করে। শান্তির প্রতি আনুগত্য বৃদ্ধি করা ও আইনের শাসন প্রচার করা আমাদের প্রাথমিক প্রচেষ্টা হবে।”

এই আলোচনায় নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষকদের শান্তির কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার প্রয়োজনিত মনে করে তিনি বলেন। সরকার পরিবর্তনের প্রাথমিক চালু করা হয়েছে যার প্রতিটি পদক্ষেপ শান্তি রক্ষার দিকে গুরুত্ব দেয়। তিনি মনে করেন যে সরকারি সেবা প্রদানের মান উন্নয়ন ও জনগণের স্বাধিকার রক্ষার মাধ্যমে সমাজে শান্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব।

স্থায়ী প্রচেষ্টা ও পদক্ষেপ

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “আমাদের সরকার জনগণের নিরাপত্তা ও স্বাধিকার গ্রহণের মাধ্যমে শান্তির প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।” এ কার্যক্রমে সরকার জনগণের সম্পর্কে গুরুত্ব দিয়ে শান্তি রক্ষার প্রচেষ্টার উন্নয়ন বাস্তবায়নে সম্মিলিত ভূমিকা পালন করছে। তিনি আরও বলেন, “আইন ও শাসন প্রতি প্রচেষ্টা গ্রহণ করে সমাজে শান্তি বৃদ্ধি করা আমাদের স্থায়ী লক্ষ্য হবে।”

বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তি কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান নিশ্চিত করে খালেদ খিয়ারি বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয় শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি বিশ্বাস পুনরায় প্রকাশ করে। তিনি মনে করেন যে নারীদের শান্তি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা আরও গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে নিজস্ব জাতি সংস্থার প্রতি বাংলাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *