বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা ঘোষণা করা হলো
দ ই ম স র মধ য – অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শিল্পায়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সম্ভব হবে না। তিনি জানান, সরকার বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁও এবং অন্যান্য অঞ্চলে শিল্পায়নের সুযোগ রয়েছে। এ সম্পর্কে আগামী দুই মাসের মধ্যে চীনের একটি প্রতিনিধিদল আসার আশা রয়েছে।
“একটি জাতির উন্নয়ন কেবল বাইরের সহায়তার উপর নির্ভর করে না। শিক্ষা বিস্তার এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। দেশের শিক্ষিত ও দক্ষ নাগরিকদের সৃষ্টি করতে হবে।” মন্ত্রী বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মকে আরও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী জানান, সবাই একত্রে কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ দ্বারা শিক্ষার্থীদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক বলিষ্ঠ করা হলো
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, দুই দেশ একত্রে সহযোগিতা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কাজ করবে। তিনি জানান, চলতি বছরের জুলাই বা আগস্টের মধ্যে চীনা প্রতিনিধিদল এখানে আসবে এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবে।
আলোচনা সভা শেষে ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ৬ হাজার ৩০৮ জন শিক্ষার্থীর হাতে উন্নতমানের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। মন্ত্রীর জনসংযোগ কর্তা হৃদয় মাহমুদ বলেন, অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে অনেক বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।