৬০ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন বনকর্মী
৬০ ঘণ ট পর ম ক ত – সুন্দরবনের কালামিয়া এলাকায় অপহৃত হওয়ার পর বনকর্মীদের মুক্তি পেয়েছেন তিন জন। এ ঘটনায় তাদের মুক্তি ঘটেছে অপহরণের এক দিন পর। অপহরণের পর তিন দিন ধরে তাদের সন্ধান চলে। শরণখোলা থানায় ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ডায়েরি করেন। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করীম চৌধুরী জানান যে ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। অপহরণের প্রায় দুই দিন পর দুবলা অফিসে ফিরে আসেন বনকর্মীরা।
অপহরণ ও মুক্তির পরিস্থিতি
গত মঙ্গলবার দুপুরে পাথরঘাটার পদ্মা স্লুইস থেকে দুবলা অফিসের দিকে যাওয়ার সময় তিন জন বনকর্মী জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে অপহৃত হন। তাদের মধ্যে ছিলেন বেতার চালক মো. ফরিদুল ইসলাম এবং ট্রলার মাঝি তোফাজ্জেল সরদার ও তার সহকারী মো. আলকাস। তারা জামালপুরে ছুটি কাটার জন্য প্রথমে রওনা হন। দুবলা অফিস থেকে যাওয়ার প্রায় দুই দিন পর তাদের মুক্তি পেয়েছেন বনকর্মীরা।
অপহরণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য
অপহরণের ঘটনার পর দুবলা অফিসের সুরক্ষা ব্যবস্থা অবিচ্ছিন্ন রাখা হয়। পুলিশ ও বন বিভাগের সহযোগিতায় সুন্দরবনের বিস্তীপন এলাকায় অপসারণের চেষ্টা চলে। সেই সাথে তাদের পরিবারের সদস্যদের অনুসন্ধান অব্যাহত রাখা হয়। অপহরণকারীদের সন্ধানে ড্রোন ও গ্রামবাসীদের সামিল করে একটি সমন্বিত অভিযান চালানো হয়।
“দস্যুদের অপহৃত ব্যক্তিরা বনকর্মী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কারণে মুক্তি পণ দাবি করেনি,” বলে জানান কর্মকর্তা।
অপহরণের পর বনকর্মীদের সদস্যদের সন্ধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। পুলিশ ও বন বিভাগের সহযোগিতায় সাথে স্থানীয় সংগঠনগুলির সহায়তা পাওয়া হয়। তাদের মুক্তির খবর নিয়ে উদ্যোগ নেয়া হয় বন বিভাগ। এ সময় সুন্দরবনের স্থানীয় জনতা অপহরণের খবর নিয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
মুক্তি পেয়েছেন বনকর্মীদের সাথে সম্পর্কিত পরিস্থিতিকে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়। অপহরণকারীদের অপসারণ ঘটেছে সুন্দরবনের কালামিয়া এলাকায়। পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনার তদন্নী চালানো হয়। তাদের মুক্তির পর পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
৬০ ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন বনকর্মীদের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। তিন জন বনকর্মী বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে উদ্যোগ নেয়া হয়। তাদের সাথে অপহরণকারীদের সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া চালানো হয়। অপহৃত ব্যক্তিদের সংরক্ষণ ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা সংক্রান্ত কর্মসূচি প্রস্তুত করা হয়।