৭ জনকে ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের চেষ্টায় আটক করা হয়েছে
গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় উত্তেজনা বিস্ফোট
ঘ ড় র ম স ব ক – ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টায় সাদুল্যাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মোংলা বন্দর এলাকায় সকালে আটক করা হয়েছে ৭ জন ব্যক্তি। শুক্রবার (১২ জুন) এ ঘটনার সাক্ষরতা করে স্থানীয় কর্মকর্তারা সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশ পৌঁছেছে। এ বিষয়ে সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে স্থানীয় লোকজন তৎকালীন কর্মকর্তাদের হাতেনাতে ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের চেষ্টার প্রতিবাদ করেছে। জামালপুর ইউনিয়নের সাদুল্যাপুর উপজেলার অধিকাংশ বাসিন্দাই মাংস বিক্রির নীতি প্রতিবাদ করেছেন যেহেতু এটি ঘোড়ার মাংস বিক্রির নীতি প্রতিবাদের কারণে তৈরি করা হয়েছে।
অনুসারে ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টায় সাদুল্যাপুর উপজেলার খায়রুলের চাতালে আনিসুর ডাক্তার নামে এক ব্যক্তির পরিচালনায় কয়েকটি ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। সেখানে গিয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় জনতা দুই জনকে হাতেনাতে আটক করেছে। স্থানীয় লোকজন বলেন, ঘোড়ার মাংস বিক্রির নীতি মেনে চলার জন্য তারা এ অপরাধের বিরুদ্ধে জোর জুড়েছে।
অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।’ এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বাধিক জোর দিচ্ছে। বাংলাদেশ দন্ডবিধি ১৮৬০ ও অন্যান্য আইনের আওতায় তদন্ত চলছে।
গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার মানুষের মতে ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা এ জায়গার আইন প্রতি মানুষের বিরুদ্ধে গুরুতর সমস্যা তৈরি করেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া নেওয়া হয়েছে এবং ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা থেকে প্রাণী রক্ষা করার লক্ষ্যে প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ প্রসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে যে ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টার প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
আইনের প্রয়োগ ও সমাজের প্রতিক্রিয়া
ঘ