আবুল বারকাতকে তাৎক্ষণিক মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের
আব ল ব রক তক ত ৎক – হাইকোর্ট আবুল বারকাতের আটক অবস্থা বেআইনি হওয়ার জন্য তদন্তে বাধ্য করেছে। এই নির্দেশে তাঁকে আটক রাখার কারণ না দেখানো হলে তাৎক্ষণিক মুক্তি দেওয়ার আদেশ জারি করা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক আবুল বারকাতকে কারাগারে আটক রাখা বেআইনি বলে দাবি করা হয়।
বুধবার (১০ জুন) হাইকোর্ট বেঞ্চ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করে। এই বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আপোসন হারানো ছাড়া নির্দেশ দেয় যে আবুল বারকাতকে আটক রাখার কারণ বেআইনি হতে পারে। তাঁকে আটক রাখা অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইন সচিবদের সামনে প্রমাণ দেখানোর আদেশ দেয়া হয়।
বিচারপতি ও আইনজীবীদের ভূমিকা
আদালতে আবেদনের পক্ষে উপস্থিত হন জেষ্ঠ্য আইনজীবী সারা হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান খান এবং সৈয়দ মামুন মাহবুব। তাদের সাথে ছিলেন আইনজীবী প্রান্ত বড়ুয়া। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় আবুল বারকাতের গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মোমতাজ ও মো. জাসিদুল ইসলাম (জনি)।
হাইকোর্টের নির্দেশনার মতে, আদেশের কপি প্রতিপক্ষদের দ্রুত পৌঁছানোর ব্যবস্থা করার আদেশ দেয়া হয়। এই আদেশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক মুক্তি দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ কর্তৃপক্ষ ছাড়া বা বেআইনি ভাবে আটক রাখা হয়নি তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়।
প্রতিপক্ষের দাবি ও চালান
আবুল বারকাতকে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী ও দুরভিসন্ধিমূলকভাবে আটকে রাখা হয়েছে যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৫ এ মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করা হয়।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে আবুল বারকাতকে একটি বিস্ফোরক আইনের পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই মামলায় পুলিশ তাঁকে ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক অবস্থার সময় আবুল বারকাত বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ছিলেন। এছাড