প্রধানমন্ত্রী বলেন: ভবিষ্যৎ শান্তিরক্ষা মিশনগুলো আধুনিক ও প্রযুক্তি-নির্ভর হবে
ভব ষ যৎ শ ন ত রক – ১০ জুন ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি মিশনগুলোকে আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তির ভিত্তিতে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। তিনি এই পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ সদস্যদের অবদান সম্পূর্ণ সম্মান সহকারে স্মরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মুখ্য বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি গঠনে আত্মোৎসর্গকারী ১৭৫ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর বিশেষ অবদান বর্ণনা করেন এবং তাদের পরিবারগুলোকে মাগফিরাত কামনা করেন। কথা বলার সময় তিনি উল্লেখ করেন, সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সম্প্রতি বিশ্বে সংঘটিত সমস্যাগুলো নতুন অন্তরায় হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন কোণে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী প্রতিদিন দায়িত্ব পালন করছেন। হাইতিতে নতুন মিশনে যোগদানের প্রস্তুতি চলছে এবং সরকার ভবিষ্যৎ মিশনগুলোকে অনেক বেশি আধুনিক ও প্রযুক্তি-মুখী করার জন্য অবিলম্বে উদ্যোগ চালাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী কথা বলার সময় বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ প্রায় ২ লাখের বেশি শান্তিরক্ষী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং এই যাত্রায় অবদান প্রদর্শন করেছে বিশ্বের ৪৩টি দেশে প্রায় ৬৩টি মিশন।
তিনি দৃঢ়ভাবে ভূমিকা বিশ্লেষণ করে নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশে প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য প্রতিদিন চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে সক্রিয় ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ভূমিকা বৈশ্বিক শান্তির নতুন সম্পর্কে আহ্বান জানান।
আত্মত্যাগী শান্তিরক্ষীদের প্রতি আদর প্রকাশ করে তিনি স্মরণ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর বিশেষ ভূমিকার কথা। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। এই গৌরবের ওপর আবেগ সহকারে সম্পূর্ণ সততা ও সাহসের ভিত্তিতে পুনর্ব্যক্ত করেন তারেক