সীমান্ত রক্ষা ও বাংলাদেশি হত্যার বিরুদ্ধে কর্মসূচি
স ম ন ত প শ ইন – ১১-দলীয় ঐক্যের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদের কর্মসূচি ঘোষণা করেন যার মাধ্যমে ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা ও বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার প্রতিবাদ ঘোষণা করা হয়েছে। দুই দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি আগামী ১২ জুন সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে এবং ১৫ জুন রাজধানীতে পালন করা হবে।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে মগবাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষায় জনমত গঠন ও প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ১২ জুন সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আরও বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হবে।
আগামী সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর শাহবাগ শহীদ ওসমান হাদি চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান সরকারের আমলে সীমান্তে বাড়াবাড়ি করা হচ্ছে। বিএসএফ হাতে ১৯ জন নিরীহ বাংলাদেশি নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছেন।
“সীমান্তে কাউকে হত্যা করার কোনো আইনগত বিধান নেই। কেউ অপরাধ করলেও তাকে আইনের আওতায় আনার সুযোগ রয়েছে। সরাসরি গুলি করে হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন,”
বিজেপি সরকার ইতিমধ্যে ২৬টি সীমান্ত জেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ না করে বাড়াবাড়ি করছে। তিনি আরও বলেন, মন্ত্রীদের বয়ান অনেক সময় ভারতীয় মন্ত্রীদের মতো হয়ে যায়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
আগামী মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে সীমান্তের ৫০টিরও বেশি স্থানে অন্তত ২ হাজার ৪৭৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বর্তমান সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি।
সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, শূন্যরেখার কাছে মানুষ খাবার ও পানির জন্য আকুতি জানাচ্ছে। তিনি আরও আহ্বান জানান, বাংলাদেশকে বর্ডার গার্ড আরও শক্তিশালী করার জন্য সীমান্ত এলাকায় জনগণকে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী (যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), আহমদ আলী কাসেমী (নায়েবে আমির, খেলাফত মজলিস), আবদুল্লাহ আল মামুন (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, এবি পার্টি), আবদুল মাজেদ আতহারী (সিনিয়র নায়েবে আমির, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি), ইকবাল হোসেন (মহাসচিব, জাগপা) ও নিজামুল হক (মহাসচিব,