প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: সুপারিশের চার মাস পরও যোগদান হয়নি
প র থম ক শ ক ষক – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কোনও নিয়োগ ব্যবস্থা চালু হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এ বিষয়ে কথা বলেন।
অপেক্ষার মধ্যে রয়েছেন
তারা জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তবে নিয়োগের কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী যোগদান ঘটেনি। আজ পর্যন্ত তারা অপেক্ষার মধ্যে বসে আছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ ও আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আপনি এ মেধাবী শিক্ষক সমাজের স্বপ্নের সারথি হয়ে আমাদের দ্রুত যোগদানের ব্যবস্থা করবেন এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ করে দেবেন।
প্রাথমিক শিক্ষার অধিদপ্তরের সূত্র মতে, সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মূল্যায়ন দুই ধাপে চালানো হবে। পরে সামগ্রিক প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। তবে তারা অপেক্ষার মধ্যে রয়েছেন যেহেতু পরে আরও যাচাই-বাছাই কাজ চালু হয়নি। অন্তর্বতী সরকারের শেষ সময়ে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি আবেদনকারীর মধ্যে ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী যোগদান প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে সেটি আটকে আছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।