Bangladesh

বিয়ে নিয়ে জালিয়াতি, আড়ালে পাচারের চোরাবালি | সংবাদ

বিয়ে নিয়ে জালিয়াতি, আড়ালে পাচারের চোরাবালি ব য় ন য় জ ল য় - ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় গড়ে ওঠে এবং ভিডিও কলে বিদেশী নাগরিক বিয়ে করার মাধ্যমে বিদেশ পাচারের

Desk Bangladesh
Published June 8, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিয়ে নিয়ে জালিয়াতি, আড়ালে পাচারের চোরাবালি

ব য় ন য় জ ল য় – ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় গড়ে ওঠে এবং ভিডিও কলে বিদেশী নাগরিক বিয়ে করার মাধ্যমে বিদেশ পাচারের কাজ হয়ে ওঠে। নিষিদ্ধ পল্লীতে এই ধরনের কাজ বিক্রি হচ্ছে। তদন্তে নামছে বিভিন্ন সংস্থা দূতাবাসের মাধ্যমে বিদেশী নাগরিকের সম্পর্কে তথ্য জানার জন্য।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের চকবাজার এলাকায় একজন তরুণীর পাকিস্তান যাত্রার নেপথ্যে করুণ আখ্যান নেয়া হয়। চকবাজার থেকে শরিয়তপুরের কাজি অফিস এর মাধ্যমে বিয়ের কাজ শুরু হয়। ফেসবুকে চ্যাট করে তিনি পাকিস্তানের শিয়ালকোটের একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে পরিচয় পেয়েছিলেন। দূর প্রবাসের সমবেদনা আর ভিডিও কলের মাধ্যমে দুই পক্ষ মিলে যায়।

অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের নামে বিদেশে পাচার হয়ে যাওয়া শত শত নারীর জীবন্ত দলিল হিসেবে এই বিষয়টি চর্চা হচ্ছে। তদন্তে নামতেই বেরিয়ে আসে একের পর এক জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ বিষয়ে শরিয়তপুরের অভিযুক্ত কাজি আবুল হাসানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, “আমি এই ধরনের বহু বিয়ে ভিডিও কলের মাধ্যমে পড়াচ্ছি, এগুলো তো অহরহ হচ্ছে। বিয়ে আল্লাহর হুকুম। ছেলে ও মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হলেই ভোটার আইডি কার্ড (এনআইডি) ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি সাক্ষী থাকলে কোনো অসুবিধা নেই। আমি দীর্ঘদিন ধরে এই বিয়ের কাজ করছি, প্রতিদিন ভিডিও কলে বিয়ে এখন আগের চেয়ে অনেক বাড়ছে।”

মালিবাগে গোয়েন্দা সংস্থার সিনিয়র কর্মকর্তার মুখোমুখি হয়ে ওই তরুণী নিজের অসহায়ত্বের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমার কোনো থাকার জায়গা নেই, নিজস্ব কোনো অভিভাবকও নেই। কোনো মতে খেয়ে-পরে দিন কাটছে। লেখাপড়াও নেই। কোনো উপায় না পেয়ে এখন আমাকে পাকিস্তানী স্বামীর বাসায় যেতে হচ্ছে। তার সঙ্গে মোবাইল ফোন ও ভিডিও কলের মাধ্যমে আমার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। আমি নির্ভয়ে পাকিস্তান যাব। এই ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।”

বিয়ে প্রক্রিয়ায় সরকারি হিসাবে বিয়ে পড়ানোর ফি প্রতি লাখে ১৪শ টাকা দিতে হয়। যেহেতু তাদের পাসপোর্ট-ভিসাসহ সব কাগজপত্র আইনীভাবে বৈধ দেখায়, তাই বিমানবন্দরে তাদের আটকানো কঠিন হয়ে পড়ে। সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম শাখার সাবেক একজন কর্মকর্তা বলেন, “এই দালাল চক্র বিয়ে ছাড়াও বিদেশে ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে নারীদের পাচার করছে। দুবাই, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে নিয়ে তাদের ওপর অমানুষিক যৌন নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এই ধরনের একটি আন্তর্জাতিক গ্যাং গ্রুপকে সিআইডির অনুসন্ধানী টিম ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছে। চক্রের মূল হোতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে, তবে সে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে দেশে না ফিরে অন্য দেশে পাল

Leave a Comment