নওগাঁয় চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
৬ দফ দ ব ত নওগ য় – ৬ দফা দাবি নিয়ে নওগাঁয় চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন ঘটিয়েছেন। দাবিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যান বিভাগের নীতিমালা প্রতিবাদ করা হয়েছে। এই আন্দোলন বিশেষ করে চিকিৎসকদের সমান অধিকার নিশ্চিত করার দাবি বহন করেছে। এর পরিণতিতে রোগীদের সেবা বৃদ্ধির সংকট দেখা দিয়েছে।
নওগাঁ মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের কর্মবিরতির কারণ হল স্বাস্থ্য বিভাগের গৃহীত নতুন প্রশিক্ষণ নীতি। এই নীতি বাতিল করার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং নতুন পরামর্শ গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। আন্দোলনের প্রতিটি পর্যায়ে চিকিৎসকদের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগের নীতি বিরোধী আবেদন করা হয়।
ছয় দফা দাবি
আন্দোলনের ছয়টি প্রাথমিক দাবি নিম্নে তালিকাভুক্ত করা হলো:
- ১৯ মে গৃহীত এফসিপিএস প্রশিক্ষণ নীতি স্থায়ী করে তার বাতিল ঘোষণা করা।
- বিসিএস স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আবেদন করার বয়সসীমা স্থির করে তা ৩৪ বছর নির্ধারণ করা।
- স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় আইন প্রণয়ন করা।
- ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন তুলে ধরে ৩০ হাজার টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন তুলে ধরে ৫০ হাজার টাকায় বৃদ্ধি করা।
- বিএমডিসি ২০২৫ অধ্যায় অনুসারে চিকিৎসকদের প্রতিদ্বন্দ্বী সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে যার ফলে সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে আসছে।
- কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
‘ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা ২৪ ঘণ্টা সিদ্ধান্ত নিয়ে রোগীদের পরিষেবা দিচ্ছেন। তাঁদের প্রতিবাদে ভাতা দেওয়া হচ্ছে কার্পণ্যের মাধ্যমে এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে,’ বলেন ডা. নাদিয়া বিনতে কাজল।
নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন ঘটানো হয়েছে কারণ চিকিৎসকদের প্রতিবাদ অস্বীকৃত হয়েছে। সবার নিকট সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীরা দাবি গ্রহণের দাবি জানান। ছয় দফা দাবিতে চিকিৎসকদের জন্য সংস্থাগুলি এবং কর্মক্ষেত্রে তাদের অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজন তুলে ধরা হয়েছে।
নওগাঁ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী সাবিত বিন আলম জানান যে ছয় দফা দাবি নিয়ে