মাদকাসক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স
ম দক সক ত প রত র – মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স পদক্ষেপ বর্তমানে মাদকাসক্তি ক্ষেত্রে সমাজের বিপর্যয়ের মূল কারণ হিসেবে বিপর্যয়ের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন সমাজে মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স আদর্শ হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যেখানে কিছু ঘটনা দেখা যাচ্ছে যে ছেলের হাতে মা মারা যাচ্ছে এবং বাবার হাতে ছেলে বা মেয়ে হত্যা হচ্ছে। এই সমস্যা ক্ষেত্রে সামাজিক বিপর্যয় বাড়ছে এবং সংঘটিত হচ্ছে যে কিছু মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স করতে সামনে এসেছে।
মাদক সক্তি প্রতিরোধের অবস্থা
বাংলাদেশ অবস্থান করছে এশিয়ার গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট ও গোল্ডেন ওয়েজ নামে পরিচিত মাদক চোরাচালানের তিনটি প্রধান অঞ্চলের মধ্যে। এ কারণে আন্তর্জাতিক মাদক বাণিজ্যকারীরা বাংলাদেশকে ট্রানজিট মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তথ্য অনুযায়ী দেখা গেল যে মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স প্রায় ২০০ বাবা-মা খুন হয়েছেন। এই অবস্থার কারণে স্বামী হত্যা করেছে স্ত্রী ও স্ত্রী হত্যা করেছে স্বামী প্রতিটি ঘটনায় অনুমান করা হয়।
আইস বা ক্রিস্টাল মেথ এর চেয়ে মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স করতে প্রয়োজন হচ্ছে ভয়ঙ্কর মাদক। কারণ, ইয়াবা তৈরির মূল উপাদান মেথঅ্যাম্ফিটামিন হলেও আইসের বিপরীতে মেথঅ্যাম্ফিটামিন থাকে মাত্র ১৫ শতাংশ। আর আইসের ৯৬ শতাংশই দেখতে কোকেনের মতো। বিগত কয়েক বছরে মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স করতে প্রায় কয়েক ধরনের অপ্রচলিত মাদক ধরা পড়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ফেনইথাইলামিন (দেখতে কোকেনের মতো), এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড), ডিএমটি, ম্যাজিক মাশরুম ও খাত। বাংলাদেশে মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স করতে বিপুল সংখ্যক রোগী মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
যেসব নারী ও শিশুকে মাদক সক্তি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স করতে ব্য