বিমানবন্দর এলাকা এবার ‘নীরবতার’ ঠিকানা হিসেবে ঘোষিত
ব ম নবন দর এল ক এব – বিমানবন্দর এলাকাগুলি বর্তমানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নীরবতার ঠিকানা হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। এ ঘোষণা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান শুক্রবার (৫ জুন) থেকে জারি করেছেন। তিনি গুলশান-২ গোলচত্বরে অনুষ্ঠিত শব্দ সচেতনতামূলক সমাবেশে এ পরিচয় দিয়েছেন এবং এ নীতিমালা অনুযায়ী বিমানবন্দর এলাকায় শব্দ দূষণ কমানোর উদ্দেশ্যে সংগঠনগুলি সহযোগিতা করছে। বিমানবন্দর এলাকার প্রতিনিধিরা আয়োজনে স্থান নিয়েছেন এবং আইন অমান্য করে কার্যক্রম বাড়ানো হলে শব্দ দূষণ প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের ভূমিকা
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, “বিমানবন্দর এলাকাগুলি এখন নীরবতার অবস্থায় আবাসন গ্রহণ করছে। শব্দ দূষণ বিমানবন্দর এলাকায় আর থাকবে না।” তিনি জানান যে সড়ক প্রকল্পে পরিবেশ অধিদপ্তর সম্প্রতি আয়োজিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, যার ফলে পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মসূচি চালু হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন এবং বলেন, “সমাবেশে নিরলস কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিমানবন্দর এলাকায় শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি আই এন সি কর্মসূচি চালু করা হবে।”
ট্রাফিক সিগনাল নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি ব্যবহার
প্রশাসক আরও জানান যে ট্রাফিক সিগনাল নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া ঢাকা মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে চালু করা হয়েছে, যাতে বিমানবন্দর এলাকার শব্দ দূষণ কমানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। এ ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, “সম্প্রতি বিমানবন্দর এলাকায় শব্দ দূষণ প্রতিরোধের জন্য এ পদক্ষেপ আরও বৃদ্ধি পাবে।”
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার মাধ্যমে বিমানবন্দর এলাকার সংকট সম্পর্কে সারাংশ প্রকাশ করা হচ্ছে। তারা সম্প্রতি শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের সংগঠনগুলি প্রাথমিক গুরুত্ব দিয়েছেন এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহযোগিতার মাধ্যমে সব ধরনের সংকট প্রতিরোধ করা হবে। এ কার্যক্রমে একটি সার্বিক পরিবেশ সংরক্ষণ পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে যার মাধ্যমে বিমানবন্দর এলাকা শব্দ ও বায়ু দূষণমুক্ত হবে।
গুলশান, নিকেতন, বনানী এবং বারিধারা সোসাইটির সহযোগিতায় বিমানবন্দর এলাকাগুলি শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ প্রকল্পে স্থানীয় সম্প্রদায় ও পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংগঠনগুলি একটি সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ নীতিমালা চালু হওয়ার পর বিমানবন্দর এলাকার �