যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর, পেটে লাথিতে অনাগত সন্তানের মৃত্যু
য ত ক র দ ব ত – চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে স্বামী বিপ্লবের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী শিখা খাতুন (১৮ বছর) গর্ভে রয়েছে সাত মাসের অনাগত সন্তান। বিয়ের পর থেকে স্বামী তার কাছে অর্থ চাইছিলেন। যৌতুকের দাবি পূরণ করতে না পারায় শিখার ওপর সারাদিন শারীরিক ও মানসিক চাপ পড়ে। আলোচনার সময় তার পেটে লাথি মারার ফলে সন্তানটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। বেশ কয়েক দিন পর শিখাকে উদ্ধার করে তিনি প্রথমে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। গত ১ জুন আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর চিকিৎসকদের বলা হয়, গর্ভের সন্তানের হৃদস্পন্দন চলছে না। পরে ওই ক্লিনিকেই মৃত সন্তান প্রসব করেন তিনি।
অভিযোগ ও ঘটনার পরিচয়
শিখা খাতুনের অনাগত সন্তানের মৃত্যু ঘটার আগে তার স্বামী বিপ্লব বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধর করেন। তিনি আর বিয়ের পর থেকে যৌতুক দাবি পূরণের জন্য সব সময় তাকে চাপ দিতেন। এ দাবি পূরণের জন্য কয়েক বার পেটে লাথি মারা হয়। আলোচনার পর সন্তানের মৃত্যুর খবর পেয়ে শিখা খাতুনের স্বামী তাকে আবার সারাদিন হালায় ধরে রাখেন। যৌতুক দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পারিবারে তার নির্যাতন বন্ধ হয় না। গত ২৬ মে রাতে এই নির্যাতন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। যৌতুকের দাবি মেটানোর জন্য শিখাকে স্থানান্তরিত করে তিনি ক্লিনিকে গিয়ে তাকে অসুবিধা দেখায়। গ্রামের স্থানীয় মানুষ বলেছেন, শিখা খাতুন সর্বদা সহজে হাসিমুখে ছিলেন। তিনি নিজের গর্ভের মানুষটির বৃদ্ধি করতেন। কিন্তু বিপ্লব তার জন্য চাপ দিতেন সব সময়।
“আমার বাবা গরিব জেনেও সে আমাকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু বিয়ের পর থেকে যৌতুক দাবির জন্য আমাকে চাপ দিত। আমি আর পেটে লাথি খাওয়া হত না সব সময়। পরে বারবার তার দাবি পূরণ করতে না পেরে আমি আবার লাথি খাই। আমার সাত মাসের সন্তানটি দুনিয়া দেখার আগেই শেষ হয়ে গেল। আমি এই নিষ্ঠুরতার বিচার চাই।”
মামলা ও আদালতের বিচার
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ জানান, শিখা খাতুন গত ৩ জুন