দায়িত্ব পেয়েই অবসরের আবেদন সিআইডি প্রধানের
দ য় ত ব প য় ই – সিআইডি প্রধান ও ডিআইজি আলী আকবর খান দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র অবসরের আবেদন জানিয়েছেন। গত ১ জুন দায়িত্ব গ্রহণের তিন দিন পরেই তিনি পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সিআইডি থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আবেদনপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি সরকার কর্তৃক অবসর গ্রহণের প্রস্তাব দাখিল করেছেন।
অবসর আবেদনের কারণ ও প্রক্রিয়া
আলী আকবর খানের অবসর আবেদনের প্রধান কারণ হল দায়িত্ব পালনের জন্য বৈষম্য ও দীর্ঘ সময় অযোগ্যতার প্রতিবেদন। তিনি জানান যে, দায়িত্ব গ্রহণ করার পর পুলিশ বাহিনীতে তার নাম পদোন্নতির তালিকায় ছিল না। এই বৈষম্যের কারণে তিনি সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
আবেদনপত্রে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর দীর্ঘ সময় বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছিল বলে তুলে ধরেছেন। তার কর্মজীবনে দায়িত্ব পালন করা হলেও পদোন্নতি ও নামাঙ্কনে অসমান পরিস্থিতি চাকরিচ্যুতির কারণ হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণ করার পর তিনি দীর্ঘ সময় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, যা তার আবেদনের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলী আকবর খান আবেদনে লিখেছেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের কারণেই আমি পুনরায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম।” দায়িত্ব পাওয়া পর তিনি স্বাধীন ও সামাজিক মুক্তি বিষয়ে আরও বেশি সমর্থন জানিয়েছেন, যা তার অবসরের আবেদনের মান বৃদ্ধি করেছে।
সরকার প্রেমের সাথে দায়িত্ব গ্রহণ করা হলেও আলী আকবর খানের ক্ষেত্রে অবসরের আবেদন প্রক্রিয়াটি কার্যকর করা হয়নি। এই দায়িত্ব গ্রহণ করার পর তিনি দীর্ঘ সময় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, যা আবেদনে স্পষ্ট করে তুলেছেন। দায়িত্ব পালন করার জন্য পুনরায় অবসর নিতে ইচ্ছুক তিনি জানিয়েছেন যে, সরকার কর্তৃক তার যথেষ্ট কৃতিত্ব স্বীকৃতি পেলেও দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র বৈষম্য দেখা দিয়েছিল।
পুলিশ বাহিনীতে তার কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর। দায়িত্ব পালনে তিনি সততা ও দক্ষতার সাথে কাজ করেছেন, কিন্তু সম্প্রতি দায়িত্ব পাওয়া পর তার সর্বোচ্চ মুক্তি করা হয়নি। আবেদনপত্রে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি দায়িত্ব পালনের জন্য অবসর গ্রহণের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সরকার আবেদন গ্রহণ করার পর আগামী ২ জুলাই থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য অবসর কার্যকর করতে ইচ্ছুক আলী আকবর খান। তার বরাবর কর্ম জীবনে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, যা অবসরের আবেদনে উল্লেখ করেছেন। দায়িত্ব পাওয়া পর তিনি আবারও দায়িত্ব পালনের জন্য অবসর গ্রহণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।