সুন্দরবনে দস্যু বাহিনীর আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল কোস্টগার্ড, অস্ত্র উদ্ধার
স ন দরবন দস য ব হ – সুন্দরবন দস্যু বাহিনীর আস্তানা ভেঙে দিল কোস্টগার্ড। গতকাল বুধবার পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জে অবস্থিত আমুরবুনিয়া ফরেস্ট অফিসের সংলগ্ন ড্রেনের খাল এলাকায় অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ডের আওতায় চালানো একটি গুরুতর অভিযানে সুন্দরবন দস্যু বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আল-আমিন বাচ্চু হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ অভিযানে দস্যু বাহিনীর স্থাপিত প্রতিষ্ঠান বিধ্বংস করা হয়েছে এবং অস্ত্র উদ্ধারের মাধ্যমে তাদের সামগ্রিক ক্ষমতা কমানো হয়েছে। এ কাজটি বিশেষ করে সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা এবং জনসাধারণের সুরক্ষা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে।
অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ডের বিস্তারিত তথ্য
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, গ্রেপ্তার করা সদস্য আল-আমিন বাচ্চু হাওলাদারের বাড়ি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পিসি বারইখালী গ্রামে অবস্থিত। এ অভিযানে বন্দুক, গুলি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধারের পাশাপাশি হরিণের শিংও আবিষ্কৃত হয়। অভিযানে সুন্দরবন দস্যু বাহিনীর প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত করে এবং তাদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার পর কোস্টগার্ড ধাওয়া করে আল-আমিন বাচ্চুকে আটক করে।
“অভিযানে চারটি একনলা বন্দুক, দশটি রাউন্ড তাজা গুলি এবং পঁচিশটি রাউন্ড ফাঁকা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র সহ একটি টেলিস্কোপ ও সোলার প্যানেল ব্যাটারি এর মধ্যে বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। হরিণের শিংসহ একটি মাথা উদ্ধার করা হয়েছে, যা দস্যু বাহিনীর সামগ্রিক সাজসরাস বৃদ্ধির প্রমাণ দেয়।”
অভিযানের প্রক্রিয়া এবং সফলতা
গ্রেপ্তার করা সদস্য থেকে বাহিনীর পক্ষ থেকে আরও কিছু অস্ত্র ও সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। কোস্টগার্ড ঘোষণা করেছে যে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ কার্যক্রমে পরিচালনার ক্ষেত্রে সুন্দরবন দস্যু বাহিনীর সদস্যদের অনুসন্ধানে বিশেষ করে বন্দুক এবং গুলি উদ্ধারের মাধ্যমে তাদের সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার সংস্থান বিধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের ফলে সুন্দরবন