দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী
দ শ র প রত য কট – দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট তৈরি করা হচ্ছে, তা অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একটি বৈঠকে ঘোষণা করেন। এই বাজেট গঠন প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষের বাস্তব আবেদনগুলোকে। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনার পর তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বার্থ বিবেচনায় বাজেট তৈরি করা হচ্ছে।
বাজেট প্রস্তুতের প্রধান উদ্দেশ্য
অর্থমন্ত্রী তাঁর ঘোষণায় বলেন যে সরকার দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের স্বার্থ রক্ষা করতে এবং সামাজিক অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হতে চায়। এই বাজেটে জনসাধারণের প্রতিটি আবেদন বিবেচনা করা হয়েছে যাতে অর্থনীতি জনগনের মানসিক ও পদক্ষেপগুলো দ্বারা প্রভাবিত হয়। তিনি এটি আরও দৃঢ় করে বলেন যে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের জীবন মান উন্নয়নে বাজেটে নির্ভর করা।
বিনিয়োগ ভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলা হবে
অর্থমন্ত্রী বলেন যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঋণের উপর নির্ভর করছে, যেখানে বিনিয়োগের বিষয়ে কোনো আশ্বাস রয়েছে না। সেই কারণে আপনাদের সরকারের উদ্দেশ্য হল বিনিয়োগ ভিত্তিক অর্থনীতি হতে হবে যাতে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের আর্থিক অবস্থা উন্নয়নের সাথে সাথে হতে পারে।
গত দুই বছর দেশে বিনিয়োগ সম্পূর্ণ অপেক্ষাকৃত ছিল। এই ক্ষেত্রে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের জন্য অর্থনীতি প্রাসঙ্গিক হতে চায়। বর্তমানে দেশে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের স্বার্থ কেন্দ্রিক বাজেট তৈরি করা হচ্ছে যাতে সামাজিক বিষয়গুলো কেন্দ্রে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে পরিচালন করা হবে।
এই প্রস্তাবে আপনাদের সরকারের অর্থনীতি এবং জনসাধারণের স্বার্থ বিবেচনার মাধ্যমে সর্বোপরি বাজেট গঠন হবে। অর্থমন্ত্রী এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন যে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে দেশের সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে হবে। তিনি এটি আরও জোরে ভাষায় ঘোষণা করেন যে অর্থনীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের আর্থিক স্বাধিকার হবে তৈরি।
অর্থমন্ত্রী বলেন যে সরকারের তিন মাসে দেশে সামাজিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধি হবে। বিশেষ করে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের প্রতিটি প্রয়োজন কেন্দ্রিক বাজেট দিয়ে দেশ উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে পারবে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা য