News

এসপি-ডিসি পরিচয়ে প্রতারণা, ৩৮ সিম জব্দ

এসপি-ডিসি পরিচয়ে প্রতারণা, ৩৮ সিম জব্দ এসপ ড স পর চয় প রত - বগুড়া জেলার সান্তাহার বাজার এলাকায় এক যুবককে এসপ ড স পর চয় প করে চাঁদাবাজি করার অভিযোগে

Desk News
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

এসপি-ডিসি পরিচয়ে প্রতারণা, ৩৮ সিম জব্দ

এসপ ড স পর চয় প রত – বগুড়া জেলার সান্তাহার বাজার এলাকায় এক যুবককে এসপ ড স পর চয় প করে চাঁদাবাজি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাঈম হোসেন (২৮) নামের তাঁকে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার পক্ষ থেকে ধরা পড়ে। তার কাছ থেকে ৪টি মুঠোফোন এবং বিভিন্ন কোম্পানির ৩৮টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে, যা এই প্রতারণা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নাঈম নিজেকে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সিআইডির এসপি ও ডিসি পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ীদের ধোঁকার চেষ্টা করতেন।

প্রতারণার প্রকৃতি ও প্রভাব

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বুধবার (৩ জুন) মিডিয়া সেলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী নাঈম হোসেন গত ২৫ মে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে এক হোমিও ওষুধ ব্যবসায়ীকে ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করেছিলেন। তিনি দাবি করেন যে ওই ব্যবসায়ী ওষুধ খেয়ে এক শিশু মারা গেছে এবং ৫ লাখ টাকা না দিলে মামলা করা হবে। ভয় দেখানোর জন্য তিনি প্রতিদিন এসপি-ডিসি পরিচয়ে গুরুতর অভিযোগ জানাতেন এবং কোনও কোম্পানির সিম কার্ডের মাধ্যমে যোগাযোগ করতেন। এ প্রক্রিয়ায় কেউ কেউ তাঁর বিশ্বাস হারিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

গ্রেপ্তার করা হয়েছে নাঈম হোসেন কারণ তিনি এসপি-ডিসি পরিচয়ে বিশেষ করে প্রতারণার চালনায় নিয়োজিত ছিলেন। জেলা গোয়েন্দা শাখা ও আইসিটি শাখা কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে শনাক্ত করা হয়। তিনি নিজেকে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের প্রতারণার শিকার করেছেন। এ সম্পর্কে পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেছেন যে নাঈম দীর্ঘদিন ধরে এসপি-ডিসি পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন মামলা তৈরি করেছেন।

মামলার প্রক্রিয়া ও বর্তমান অবস্থা

নাঈম হোসেনকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা তৈরি করেছে এবং তদন্ত অগ্রসর হচ্ছে। তিনি বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার পোওতা গ্রামের বাসিন্দা। এই মামলায় সিআইডির এসপি-ডিসি পরিচয় দিয়ে সম্প্রতি সাধারণ মানুষের আশংকা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ সুপার এসপি-ডিসি পরিচয়ে প্রতারণার প্রকৃতি ও প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন।

তদন্তে জানা গেছে নাঈম হোসেন প্রতিদিন এসপি-ডিসি পরিচয়ে বিভিন্ন মামলা তৈরি করে ছিলেন এবং তার সাথে সিম কার্ডগুলি ব্যবহার করে কল করতেন। সেই সিম কার্ডগুলি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়ে ছিলেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার করেছেন।

এসপি-ডিসি পরিচয় দিয়ে সম্প্রতি যে প্রতারণার ধারণা ছড়াচ্ছে তার কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই প্রক্রিয়া অনুসারে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। পুলিশ সুপার আরও জানান যে তদন্তে তিনি এসপি-ডিসি পরিচয়ে গুর�

Leave a Comment